
প্রকাশিত, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
কে,এমন, কাউসার কারজাই
???ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক আজ বসন্ত???️
একদমই ঠিক।
কথাটা কমন, কিন্তু যখনই বলা হয় এক নতুন সাজে,এক নতুন মাত্রা নিয়ে আসে। বসন্ত জীবনকে সজীবতা দেয়।
মন রঙীন হয়,, সৃষ্টির দুয়ার খুলে যায়,,,
১৯৮৩ সালের ফেব্রুয়ারি।
বাংলা পঞ্জিকায় দিনটি ছিল পহেলা ফাল্গুন। জাফর, জয়নাল, আইয়ুব, কাঞ্চনরা প্রেমিকার হাত ধরে বসন্ত বরণের জন্য চারুকলার বকুলতলায় যায়নি। তরুণীরাও হলুদ শাড়ি পরে, খোপায় বকুল ফুলের মালা জড়িয়ে বসন্ত উৎসবে যায়নি। সবাই গিয়েছিল বটতলায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে বটতলা থেকে ছাত্রদের মিছিল যাবে সচিবালয় অভিমুখে। মজিদ খানের গণবিরোধী শিক্ষানীতি তারা প্রত্যাখ্যান করেছে। ফাগুনের স্নিগ্ধ প্রকৃতির মধ্যে শান্তিপূর্ণ সেই মিছিলে গুলি, কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট, রায়ট ভ্যানের গরম জলে উত্তপ্ত হয় আকাশ বাতাস। সামরিক স্বৈরাচারের ঘাতক পুলিশের তপ্ত বুলেটের আঘাতে মৃত্যুর শীতল ছায়ায় নিমজ্জিত হল কতগুলো তাজা প্রাণ। শিশু একাডেমিতে বাবা-মায়ের সাথে বেড়াতে আসা দীপালিও বাদ গেলো না। ’৫২ পর আবারও বসন্তের রক্ত-পলাশ রক্তাক্ত হলো শহীদের তাজা খুনে।
‘থাক তব ভুবনে ধূলি মাখা চরণে মাথা নত করে রব..
বসন্ত এসে গেছে..’ ??
জীবনের ফুল বসন্তের পরিস্ফুটিত ফুলের মত ফুটে উঠুক আর প্রীতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটুক।
সঠিক দিনে সঠিক বিষয়!
বসন্তের ছোঁয়া লাগুক সকলের কলমে! ?
লেখকঃ কলামিস্ট কে.এম কাউছার কারাইজ


