print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত

মানুষের কল্যাণে লেখালেখি
জন্মদিনে কবি দেলোয়ার হোছাইন।

আজ কবি ও গীতিকার দেলোয়ার হোছাইন , দৈনিক দেশ সময় এর নিয়মিত লেখক যিনি দৈনিক মর্নিং পোস্ট এর সদ্য দায়িত্ব প্রাপ্ত সাহিত্য সম্পাদক, তার জন্ম দিন। তিনি দীর্ঘদিন মর্নিং পোস্টের “নির্বাহী সম্পাদক”ছিলেন।চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ গ্রামে আজকের এই দিনে ১৯৮২ ইংরেজি সনে তিনি জন্ম গ্ৰহণ করেন। পিতার নাম ফয়েজ আহমেদ মাতার নাম লাইলা বেগম। ছোটবেলা থেকেই লেখা পড়ার প্রতি তার প্রবল আগ্রহ ছিল। এটি তার ৪৪তম জন্মদিন।গ্ৰামে জন্ম হলেও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শেষে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সরকারী হাজী মুহাম্মদ মুহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম থেকে। অর্থনীতিতে সম্মান ও মাষ্টার্স ডিগ্ৰী শেষে ২০০৮ ইংরেজি সালে ইউসিবি , প্রধান কার্যালয় ঢাকায় জুনিয়র কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। কর্মজীবনের পাশাপাশি লেখালেখি তার দারুন পছন্দ। একজন সচেতন মানুষ এবং সাহিত্যিক হিসেবে সব বিষয়ে কিছু না কিছু জ্ঞান রাখা প্রত্যেকের উচিত বলে মনে করেন তিনি। লেখক হিসেবে আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটে অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২১ এ “আমার অনুভূতি ” কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে। এছাড়া তিনি সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত হয়েছেন কর্মজীবনে তার অধিনস্ত বস এবং সহকর্মীদের কাছ থেকে।

বইমেলা-২০২১ এ তার” আমার অনুভূতি” একক কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের পর থেকেই তিনি নিয়মিত কম বেশী লিখে চলেছেন। লেখালেখি করে আসছেন বিভিন্ন দৈনিক সাপ্তাহিক পাক্ষিক এবং বিভিন্ন ম্যগাজিনে । অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২৫ এ প্রকাশিত হয় তার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘কবিতায় জীবনবোধ ‘। এছাড়া একাধিক যৌথ গ্ৰন্থ কবিতা ও গল্পের বই ছাড়াও গীতিকবিতার যৌথ বই “বাউলা”১ম খন্ড ,২য় খন্ড এবং ৩য় খন্ড উল্লেখযোগ্য। এছাড়া সম্পাদনা করেছেন যৌথ কাব্যগ্রন্থ “জুলাইয়ের কাব্যকথা”।

জন্মদিন উপলক্ষে তিনি বলেন তিনি আজীবন মানুষের কল্যাণের জন্য লিখে যেতে যান । তিনি আরো বলেন মানুষ দু’টি দৃষ্টিকোণ থেকে কবিতা লেখেন। প্রথমত আনন্দ থেকে । দ্বিতীয়ত কষ্ট থেকে যে কষ্টের মাঝে আনন্দ লুকিয়ে আছে। তার অধিকাংশ লেখা কষ্ট থেকে । প্রত্যেক মানুষের কষ্ট থাকে। আর এই কষ্ট থেকে মানুষ অনেক কিছু শিখে।তিনি বলেন যখন কষ্টের কথা স্মরণ হয় তখন বিভিন্ন চিন্তা একজন মানুষকে ঘিরে থাকে । আর সেই চিন্তা বাদ দিয়ে যখন আত্ম উপলব্ধি আর আত্মচেতনা জাগ্ৰত হয় সেই সাথে লেখালেখির মধ্যে মনোনিবেশ করেন সেই চিন্তা অনায়াসে চলে যায় । তার অধিকাংশ লেখা যেহেতু তার জীবনের দুঃখ কষ্ট সুখ দুঃখের অনুভূতি , বর্তমান তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন দারুণভাবে আকর্ষণ করে।
কারণ প্রত্যেক মানুষের জীবনে নিরাপদ , পারস্পরিক আস্থা সুখ দুঃখের বিষয়টা জড়িত থাকে।কারো বেশি কারো কম । তিনি বলেন সবকিছু মিলিয়ে প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ তায়ালাই উত্তম পরিকল্পনাকারী। আজকের এইদিনে যেসব কবি লেখক সাহিত্যিক ,পাঠক ,সংগঠক, সহকর্মী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীগণ সোস্যাল মিডিয়াতে টাইমলাইনে কিংবা ব্যক্তিগতভাবে শুভেচ্ছা পাঠিয়িছেন এবং পাঠাচ্ছেন সকলের নিকট তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ।

সদ্য তিনি “জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট” এর আজীবন সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া ঢাকা সাহিত্য পরিষদ এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্য পরিষদ সহ আরো বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠনের সাথে তিনি জড়িত।

মানুষের প্রেম ও ভালোবাসা এবং কল্যাণমুখী লেখা যেন আজীবন অটুট রাখতে পারেন সেইজন্য তিনি সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী