
প্রকাশিত
সুমন ইসলাম, লালমনিরহাট
লালমনিরহাট সদর উপজেলার হারাটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না। পর্চা, নামজারী ও খারিজ দাখিল করার জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি এ-র চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে থাকে দালালের মাধ্যমে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা।
অফিসে ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করায় নিয়ে থাকে যা প্রতিটি সরকারি দপ্তরের মধ্যে গোপনীয়তা রয়েছে কিন্তু হারাটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গোপনীয় বলতে কিছু নেই এ কারণ হচ্ছে বহিরাগত ব্যক্তি সব জেনে গেছে কোথায় কোন সমস্যা সবকিছু জানে ভাড়াটিয়া ইন্টারনেট ব্যবহার কারী।
হারাটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গোপনীয় বলতে কিছু নাই সবকিছু টাকার কাছে বিক্রি হয়েছে ভূমি সহকারী কমকর্তা রফিকুল ইসলাম। সাধারণ মানুষেরা খাজনা দিতে এসে হয়রানির শিকার হয়ে অফিস থেকে চলে যায়,খাজনার যে টাকার রশিদ কাটে ও-ই টাকা দিয়ে থাকে একারণে খাজনা আদায় করে না সহজেই অতিরিক্ত টাকা দিলেই খাজনা নিয়ে থাকে তহশিল দার রফিকুল ইসলাম।
সাধারণ মানুষেরা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কমকর্তা রফিকুল ইসলাম এ-র প্রতি চরম অসন্তোষ্ট। সাধারণ মানুষেরা হয়রানির শিকার হয়ে থাকে টাকার জন্য কিন্তু অনেকেই বুঝতে পারে না ফাইল ফেলে রাখার কারন সরকারি নিধারিত ফি এ-র চেয়ে অতিরিক্ত টাকা দিলে ফাইল তাৎক্ষণিকভাবে পার করে থাকে।
হারাটি ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে টাকা ছাড়া ফাইলে সই করে না এবং টাকার জন্য হয়রানি করে থাকে ,দীর্ঘদিন ধরে অফিসকে ক্ষুখিগত করে নিজের মতো করে চালায় আসছে রফিকুল ইসলাম, স্টাফরা ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারে না অন্যায়ের বিরুদ্ধে। টাকা ছাড়া রফিকুল ইসলাম কোন কিছু বুঝে না, মাসের পর মাস কাগজ ফেলায় রাখে টাকার জন্য, দালালের মাধ্যমে টাকার আলোচনা হলেই ফাইলে সই করে।
অফিসের কাজ করার জন্য ভাড়াটিয়া লোক নিয়েছে অনলাইনের কাজ করানোর জন্য, ও-ই ভাড়াটিয়া কাজের পাশাপাশি দালাল এর কাজও করে থাকে।
পর্চা, নামজারী ও খারিজ দাখিল করার জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি এ-র চেয়ে অতিরিক্ত মোটা অংকের টাকা নিয়ে থাকে ও-ই টাকা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে দিয়ে থাকে। খাজনা দিতে আসা অসংখ্য মানুষকে ঘুরায় থাকে বিভিন্ন অজুহাতে, খাজানা নেয়ার রশিদ থাকার পরও বলে থাকে বই শেষ হয়ে গেছে, অফিস থেকে আনার পরে খাজনা আদায় করা হবে কিন্তু ঘুরানোর মূল কারণ হচ্ছে খাজনার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা দিলে খাজনা কেটে থাকে এবং রশিদে যে টাকা লেখা তার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে থাকে দালালের মাধ্যমে।
হয়রানির শিকার থেকে রক্ষা পায় না কেউ অতিরিক্ত টাকা না দিলে দিনের পর দিন অফিসের মধ্যে ঘুরা লাগে না।
লালমনিরহাট সদর উপজেলার হারাটি ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম টাকা ছাড়া কোন ফাইল পাড় করে দেয় না।
দালালের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা নিয়ে কাজ করে দিয়ে থাকে।
অফিসের মধ্যে একজন ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে কাজ করায় নিয়ে আসছে ও-ই ভাড়াটিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের গোপনীয় সব তথ্য জানে কোথায় কোন সমস্যা তা মার্ক করে রাখে, সরকারি খাস জমি কোথায় কোথায় রয়েছে সবকিছু জেনে নিয়ে কাজে লাগাচ্ছে ভাড়াটিয়া কাজের লোক।
বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে করুন



