print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,০২, আগষ্ট,২০২২

“জেগে ওঠো মজদুর”

কবি, ফেরদৌস আহমেদ#

জেগে ওঠ ,ওঠ জেগে ওঠ ,
শ্রমিক মজুর কামলা কুলি
ভুলে যা ,যা রে সকল
হীনতা ভয়-ভীতি গুলি।।

দাগারে বুকের মাঝে প্রতিবাদের কামান দাগা,
ছুড়ে মার রক্ত কামান,
জুলুমবাজের আস্তানা তে আগুন লাগা।

কোথায় রে গৃহিণীদের ছ্যাকা খাওয়া কিশোরীরা?
চা দোকানের নির্যাতিত শিশুরা কই ?রুখে দাঁড়া।

জেগে ওঠ শান্ত সুবোধ মিথ্যে প্রবোধ শুনব না আর,
মোরা আজ টুটব বাঁধন লুটব নিজের সব অধিকার।

ছুটে আয় মুক্তি নেশায় ঢালতে বুকের তরতাজা খুন,
নিপীড়ন সইব না আর আসলে আঘাত করব দ্বিগুণ।

দাসের শিকল কর রে বিকল কতদিন আর থাকবে পড়ি,
ভেঙে সব ভীতির রাহু রাঙিয়ে বাহু আয় না এবার লড়াই করি।

চল এবার উল্কা বেগে গর্জে উঠি সাগর নদী পাহাড় ছিড়ি,
জালিমের আসন কেড়ে আসন গেড়ে ওদের কে দেই কাঠের পিড়ি।

কোথারে রিক্সা চালক শ্রমিক কৃষক ,
নিপিড়নের শিকার যারা?
বাজারে যুদ্ধ মাদল ,ভাঙতে শিকল,
দীপ্ত পায়ে আগে বারা।

কোথা তোর নির্যাতনে গড়িয়ে পড়া রক্তকণা ক্রভ আঁখি জল,
তা এনে অঙ্গে মেখে জাগিয়ে তোল তোর বাহুবল।

জেগে তোল যুদ্ধ করার অসীম সাহস বুকের পাটা,
বিপ্লবে তোর জালিম দিয়ে মাজলুমাতের চরণ চাটা।

চালারে যার যা আছে তাহাই চালা
খোঁড়া তুই হস্ত চালা,
বুড়া চালা প্রতিবাদের কথামালা।

ওরে ও অন্ধ ফকির বিল্পবি বীর
মার ছুড়ে তোর ভিক্ষা বাটি
ভেঙ্গে ফেল অত্যাচারী, হাঙ্গর কুমির পাপ পিশাচের দুর্গ ঘাঁটি।

ওরে ও মজদুরেরা এক সাথে সব মার লাথি মার,
নিরীহ সান্তরা সব অশান্ত ঝড় রূপ নে এবার।

জেগে ওঠ শিশু কিশোর শ্রমিক যত যুবক নারী,
ছুটে আয় একসাথে সব হেইয়ো বলে লাথি মারি।

ভেঙ্গে দেই জুলুমবাজের ধারালো দাঁত কালো থাবা,
কেড়ে নেই দিন মুজুরের অধিকারের নতুন রবির আলো লাভা।

ভেঙে ফেল শোষণ পীড়ন অত্যাচারের সকল আঁধার,
খুলে ফেল দিনমজুরের অধিকারের বন্দীশালার রুদ্ধ দুয়ার।

কোথারে নির্যাতিত শ্রমিক মুজুর
কামার কুমার
বাজে ওই বিপ্লবী সুর আয়রে ছুটে ভাইরে আমার।

ওরে ও ক্লান্ত অচল নে মনোবল বক্ষে আমার কেতন ঘেড়ে,
ভাঙা তোর যুদ্ধ তরী আবার গড়ি রক্তে আমার ছেড়ে দে রে।

শূন্য সাগর রক্ত দিয়ে ভরব কেটে সকল শিরা,
ভাসিয়ে যুদ্ধ জাহাজ
রুখে দে আজ
সব অবিচার দহন পীড়া।

তোরা ডরাসনে কেউ তুফান এলে স্তব্ধ নিঝুম আঁধার রাতে,
বিপ্লবী এ যাত্রার আমি সামনে আছি মশাল হাতে।

আমি যে শ্রমিক জাতির মুক্তি নেশায় পাগল পারা ,
না আমি থামবো না রে বঞ্চিত ঐ শ্রমিক জাতির মুক্তি ছাড়া।