
প্রকাশিত,১৮,সে,২০২৩
স্টাফ রিপোর্টারঃ
দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন পত্রিকার এক সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরের কতিথ সাংবাদিক রফিকের নেতৃত্বে চাঁদাদাবী ও শারিরিক মানষিক নির্যাতনসহ ভিডিও ধারন করে, একাধিক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুর্গাপুরে এমন ঘটনা ঘটিয়ে তারা পরে নেত্রকোনা পাল্লা ঢাকা বাসষ্ট্যান্ডে পুনরায় এমন ঘটনা ঘটায়। উক্ত ঘটনায় ভোক্তভোগী সাংবাদিক আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
দূর্গাপুর এলাকায় দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন পত্রিকার একজন সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনে গেলে সে সময় কতিথ সাংবাদিক রফিকের নেতৃত্বে একটি সন্ত্রাসী দল সাংবাদিককে নাজিরপুর মোড় থেকে দুর্গাপুর প্রেসক্লাবে নিয়ে আসে।
দুর্গাপুরের কতিথ সাংবাদিক রফিকের নেতৃত্বে চাঁদাদাবী ও শারিরিক মানষিক নির্যাতনসহ ভিডিও ধারন করে, একাধিক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগে প্রকাশ, রফিক একজন অত্যন্ত খারাপ, চাঁদাবাজ প্রকৃতির লোক। দূর্গাপুর বালুমহাল সহ বিভিন্ন জায়গা হতে চাঁদাবাজি ও সীমান্তের চোরাচালান ব্যবসা এবং মাদক ব্যবসা সহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডের সহিত জড়িত বলে এলাকাবাসী জানান। রফিক নিজেকে দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার সাংবাদিক হিসাবে পরিচয় দিয়ে, নানান অপকর্ম করিয়া বেড়ায়। দূর্গাপুর শহরের বহু অপকর্মের সহিত জড়িত ব্যক্তিদের ঘুষখোর চাঁদাবাজি ও সীমান্ত চোরাচালান সহ বিভিন্ন অপকর্মের তথ্য অনুসন্ধান করিতে গেলে তার মাতায় যেন হাড়ি ভেঙ্গে পড়ে। রফিকের গায়ে যেন আগুন জ্বলে যায়। রফিক বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডের পৃষ্ঠপোষকতা করিয়া থাকে বলে, এলাকায় প্রচার রয়েছে। নেত্রকোনা ও ময়মনসিংহ সহ বিভিন্ন এলাকার সাংবাদিক দূর্গাপুরে তথ্য অনুন্ধানের জন্য গেলে তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের ভয় ভীতি সহ হুমকী প্রর্শন করিয়া থাকে। অভিযোগ দাখিলকারী দূর্গাপুরে সাংবাদিকতা করার জন্য গেলে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে বলে জানায়। পরে বিভিন্ন সময় তারা গেলে রফিক গুন্ডা পান্ডাদেরকে নিয়া অভিযোগ দাখিলকারীর সহিত অসাধ আচারন সহ মানহানী কর কার্যকলাপ করিয়া থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার কিছু দিন পূর্বে ভুক্তভোগী সাংবাদিকসহ কয়েকজন দূর্গাপুর নাজিরপুরে বিভিন্ন অপকর্মের তথ্যের ভিত্তিতে গেলে রফিকসহ আরো ৩-৪ জন অজ্ঞাত নামা লোক নিয়া তাদের পথরোধ করিয়া বলে তোদেরকে দূর্গাপুর আসতে নিষেধ করা স্বত্বেও কোন সাহসে আসলি আমার নিষেধ উপেক্ষা করার মজা মিটাইয়া দিব বলিয়া সাংবাদিকদের সাথে থাকা মোবাইল ফোন, ক্যামেরা জোর পূর্বক চিনিয়ে নিয়ে, তাদের কে অশ্লীল অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ কিল, ঘুষি মারিয়া তাদের সাথে মানহানীকর আচরন করে এবং তাদের নিকট হইতে কয়েকটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়।
পরবর্তীতে গত ১৪ সেপ্টেম্বর পাল্লা বাস্ট্যান্ডে ভুক্তভোগী সাংবাদিক তার নিজ প্রয়োজনে আসলে রফিকসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনের সাথে অনাকাঙ্খিত দেখা হলে তারা ক্ষিপ্ত হইয়া চেয়ার হইতে উঠিয়া বলে দূর্গাপুর গিয়া সাংবাদিকতা করতে হলে তাদেরকে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে। রফিক ও তার সাথে থাকা লোকজন তাহার দাবীতে অনড় থাকিয়া হুমকী দিয়া ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।


