
প্রকাশিত,১৩, নভেম্বর,২০২১
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
আজমিরীগঞ্জ ১নং সদর ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচনে দুই ইউপি সদস্যের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে বিরাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর এক ছাত্রকে বেধরক মারধোর করেছে একই স্কুলের দপ্তরি। আশংখাজনক অবস্হায় তাকে উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়েছে। ওই ঘটনায় দপ্তরিকে আটক করেছে পুলিশ।
জানা যায়,
গত ১১ই নভেম্বর বৃহস্পতিবার অনুষ্টিত হয়েছে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার ৫ ইউনিয়নের ইউপি নির্বাচন। নির্বাচনের দিন সহ পরদিন শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নির্বাচনী সহিংসতা অর্থাৎ হামলা ভাংচুর হামলা পাল্টা হামলার মত ঘটনা ঘটে।
এরই ধারাবাহিকতায়, গত শুক্রবার বিকাল অনুমানিক সাড়ে ৩ টায় আজমিরীগঞ্জ ১নং সদর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বিজয়ী ইউপি সদস্য ও ওই দপ্তরির চাচাতো ভাই মুকিত মিয়ার সমর্থকদের বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে পরাজিত ইউপি সদস্য সবুজ মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
৫ম শ্রেণীর ছাত্রের পিতা ছিল পরাজিত ইউপি সদস্য সবুজ মিয়ার সমর্থক। এ ঘটনার জের ধরে, বিরাট রাজারহাটির বাসিন্দা ওয়াজিদ মিয়ার পুত্র ও বিরাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মারুফ মিয়া (১১)
গতকাল শনিবার সকালে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। অনুমানিক ৮ টায় ওই বিদ্যালয়ের অদূরে রাস্তায় পৌঁছলে একই গ্রামের বাসিন্দা মৃত- রহমান মিয়ার পুত্র ও দপ্তরি লিটন মিয়া (৩৫) ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে স্কুলের লোহাররড চুরির অভিযোগ এনে বেধরক মারধোর করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। আশপাশের লোকজন আশংখাজনক অবস্হায় তাকে উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। এদিকে একই দিন খবর পেয়ে, দপ্তরিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। এ ব্যাপারে মমলা দায়েরের খবর পাওয়া যায়নি।


