print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,২১, অক্টোবর,২০২১

রংপুর প্রতিনিধি ঃ

ভারতের গজল ডোবায় সবকটি গেট খুলে দেয়ায় লালমনিরহাটের হাতিবান্ধায় বাড়িঘরে পানি উঠায় রাস্তা ধার ও উচু স্থানে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

ভারতের গজল ডোবায় সবকটি গেট খুলে দেয়ায় লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা, কাকিনাসহ রংপুরের গঙ্গাচড়া বেশিরভাগ ইউনিয়নে পানি ঢুকে কৃষকদের ধান, ভুট্টা, গবাতি পশু ও মাছের ঘের ভেষে গেছে। বাড়িঘরে পানি উঠায় রাস্তা ধার ও উচু স্থানে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ভারতের গজল ডোবায় সবকটি গেট খুলে দিলে প্রথমে তিস্তার নীলফামারী এলাকায় পানি বৃদ্ধি হতে শুরু করে।
এসময় তিস্তা ব্রিজের সব কটি গেট খুলে দেওয়ার পর পাশ্বরাস্তা কেটে দিলে লালমনির হাটের হাতিবান্ধা কাকিনাসহ রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বেশিরভাগ ইউনিয় পানিতে তলিয়ে যায়। এসময় পানির তীব্র স্রোতে গবাদিপশু মাছের ঘের ও কৃষকদের কেটে রাখা ধান ভেষে যায়।

এসময় পানি স্রোতের তোড়ে রংপুর লালমনিরহাট আঞ্চলিক সড়কটির কাকিনা পয়েন্ট ভেঙ্গে গিয়ে যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে পড়ে।

আমাদের বাপ দাদার জনমে এমন পানি দেখি নাই। পানির স্রোত বাড়িঘরসহ গাছপালা বিদ্যুৎতের খুটিসহ পাকা সড়ক ভেঙ্গে যায়। তাছাড়াও এই এলাকার কৃষকের ধান ও ভুট্টার ব্যপক ক্ষতি হয়েছে।

আব্দুল্লাহ আল হাদী, চেয়ারম্যান লক্ষীটারী ইউনিয়ন গঙ্গাচড়া রংপুর। তিনি বলেন,
হঠাৎ করে ভারত থেকে পানি আসায় আমার ইউনিয়নের সব এলাকা পানিতে তলিয়ে গিয়ে খেটে সাধারন মানুষ ও কৃষকদের ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। সরকারের কাছে আমার দাবী এই অসহায় মানুষদের যেন দ্রুত সাহায্য সহায়তা করা হয়।