print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,১০, মার্চ,২০২৪

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী:-

চট্টগ্রামের পটিয়া শহরে শত কোটি টাকায় নির্মিত বাইপাস সড়ক যেন এখন মরণফাঁদে পরিনত হয়ছে।প্রায় সময় বাইপাস সড়কে দুর্ঘটনা ঘটে অনেকের প্রানহানীর ঘটনা ঘটে। এছাড়াও গত দুই বছর শত শত নারী পুরুষ শিশু সহ আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে গত সপ্তাহে রাতে সড়ক বার্তি না থাকায় কাভার্ড ভ্যান বাস মুখোমুখি সংঘর্ষ একজন নিহত ও ২০ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এছাড়াও বাইপাস সড়কে চুরি, ছিনতাই, মোবাইল ঝাপটা অহরহ ঘটনা ঘটে। মুলত বাইপাস সড়কে লাইটিং ব্যাবস্তা হলেও লাইটগুলো নষ্ট হয়ে পড়ে আছে বলে এলাকার লোকজনের অভিযোগ।

প্রায় সাড়ে ৫ কিলোমিটারের বাইপাসে ৬টি ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট রয়েছে। চলতি বছরের গত দুই বছর এপ্রিল মাসে বাইপাসের কাজ সম্পন্ন করলেও একের পর এক দুর্ঘটনার কারণে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। পটিয়া ইন্দ্রপুল থেকে গিরিশ চৌধুরী বাজার পর্যন্ত সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে দুই দফায় একশ’ কোটি টাকার বাইপাস প্রকল্পের কাজ হয়। বর্তমানে বাইপাসের আনোয়ারা রাস্তার পয়েন্ট, বৈলতলী রোডের পয়েন্ট, ভাটিখাইনের পয়েন্ট, কচুয়াই ইউনিয়নের ফারুকীপাড়ার পয়েন্ট, পৌর সদর থেকে বাকখালী, করল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় যাওয়ার পয়েন্ট খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরকান মহাসড়কের পটিয়া শহরের ইন্দ্রপুল থেকে বাইপাস শুরু হয়েছে। বাইপাসের চারিদিকে বসতি ও সংযোগ সড়ক ঝুঁকিপূর্ণ থাকার কারণে এই দুর্ঘটনা হচ্ছে বলে উপজেলা যুবলীগ সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক দিদারুল আলম জানান। এছাড়াও সড়কে লাইটিং ব্যবস্থা করলেও এখন সড়ক বার্তি গুলো নষ্ট হয়ে পড়েছে। যার ফলে চুরি, ছিনতাই, মোবাইল ঝাপটাবাজি বেশি হচ্ছে বলে স্থানীয় বাসিন্দা প্রবাসী আবু ফরিদ জানান।

সন্ধ্যার পর কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বৃদ্ধি ছাড়াও চুরি, ছিনতাই এর ঘটনা ঘটছে। যার ফলে দূরপাল্লার বাসগুলো এ সড়ক দিয়ে সন্ধ্যার পরে চলাচল কম করেন বলেন পটিয়া সৌদি কাউন্টার শাকিল বিষয় নিশ্চিত করেন।

সওজ সূত্রে জানা যায়, বাইপাস সড়কের কাজ পেয়েছিল মেসার্স রিলাভেল বিল্ডার্স নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। শুরুতে প্রায় ৬৫ কোটি টাকার কাজ বরাদ্দ থাকলেও পরবর্তীতে তা বাড়িয়ে প্রায় একশ কোটি টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়। পৌর সদর থেকে শুরু করে ভাটিখাইন ও কচুয়াই ইউনিয়নের কিছু এলাকা নিয়ে এই বাইপাসটি পুনরায় পৌর এলাকায় পৌঁছেছে। বসতি ও গ্রামীণ সড়ক এলাকা দিয়ে বাইপাসটি যাওয়ার কারণে শুরু হয়েছে দুর্ঘটনা। উদ্বোধনের আগেই পরীক্ষামূলক রাস্তাটি চালু করতে গিয়ে প্রবাসী ও স্কুল শিশুসহ প্রাণ হারিয়েছে ৪ জন।
গ্রামবাসীর অভিযোগ, কাজের ঠিকাদার বাইপাসের বিভিন্ন স্পটে উঁচু-নিচু, আঁকা-বাঁকা ছাড়াও ঠিকাদার নিম্নমানের কাজ বুঝে দিয়ে চূড়ান্ত বিল নিতে তৎপর ছিল। বর্ষা মৌসুমে
কচুয়াই এলাকার কয়েকটি স্পটে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।এই পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে একশ জনের উপরে অভিমত এলাকাবাসীর। বাইপাস সড়কে সড়ক বার্তি গুলো সচল ও রাতের বেলায় পুলিশ টইল জোর দার করার দাবি জানান ভুক্তভোগীরা।

সেলিম চৌধুরী
পটিয়া প্রতিনিধি
পটিয়া চট্টগ্রাম
১০/০৩/২৪ ইং।