print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,১৯, জুলাই,২০২৩

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) ঃ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শারমিন আলমের বিরুদ্ধে ভ্যাট ট্যাক্সের কথা বলে কর্মীদের বেতন থেকে ২ হাজার ২শ টাকা করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধীক ভুক্তভোগী ভলেন্টিয়ার এসব তথ্য জানান সাংবাদিকদের।

জানাগেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আওতাধীন ৫৩ টি কমিউনিটি ক্লিনিকের এম,এইচ,ভি পদে কর্মরত রয়েছে ৩৭১ জন কর্মী।
এদের বলা হয় এম,এইচ,ভি( মেডিকেল হেলথ্ ভলেন্টিয়ার)। ঈদুল আযহার আগে এসকল কর্মীদের ১২ মাসের বেতন
এককালীন যুক্ত হয় ব্যাংকে। ব্যাংকের একাউন্টে ১ কোটি ৬০ লক্ষ টাকার মধ্য থেকে অজ্ঞাত কারনে ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা উত্তোলন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের পক্ষ থেকে।
ঈদুল আযহার আগে ২৬ জুন বেতন দেওয়া হয় কর্মীদের । কর্মীদের ১২ মাসের বেতন ৪৩ হাজার ২শত টাকা করে জমা হলেও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শারমিন আলম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভলিউম বুকে ৪৩ হাজার ২শ টাকার প্রাপ্তি স্বাক্ষর নেয় কর্মীদের কাছ থেকে অথচ, কর্মীদের ৪১ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়। আবার কয়েকজন শক্ত প্রতিবাদী ভলেন্টিয়ারদের ৪৩হাজার ২শ টাকা করে প্রদান করা হয়েছে বলেও জানাগেছে।
২২০০ টাকা করে কেটে রাখা হলেও চাকুরী হারানোর ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পাননি কর্মীরা। প্রতিবাদ না করে নিরব যন্ত্রণা সহ্য করে ৪১ হাজার টাকা করে নিয়ে চলে যায় কর্মীরা।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার এমন ঘটনায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে কর্মীদের মাঝে। এঘটনাকে কেন্দ্র করে সচেতন মহলেও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
কেউ কেউ বলছে, সাধারণ চাকুরীজীবিদের কাছ থেকে যদি ভ্যাট ট্যাক্সের অযুহাত দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে থাকেন তাইলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। আবার একাধিক ব্যাক্তি তার অপসারণ দাবি করছেন।

তবে, ডাঃ শারমিন আলম এ অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি উল্টো বলেন, সকল ভলেন্টিয়ারই খাতায় স্বাক্ষর করে বেতন নিয়েছেন এবং
কোন কর্মী এবিষয়ে আমার কাছে কোন অভিযোগ করেননি । ###