
প্রকাশিত
সঞ্জিব দাস (গলাচিপা) পটুয়াখালী, প্রতিনিধি।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে পিতা মহেন্দ্র চন্দ্র শীলের এর সম্পত্তি ফিরে পেয়ে আনন্দিত পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চর মোন্তাজ ইউনিয়নের চর মার্গারেট গ্রামের,
এবিষয়ে জমির মালিক মহেন্দ্র চন্দ্রশীলের ছেলে মনোহর চন্দ্রশীল (৫৫) বলেন, আমার বাবা সরকারিভাবে দের একর সম্পত্তি সরকার বাহাদুর বন্দোবস্ত দেয়। আমার বাবা জমিটি চাষাবাদ করে আসছেন। আমার বাবার মৃত্যুর পরে জমিটি হাওয়া হয়ে গেল। কেউ জানে না আমার বাবার জমির দাগ কোনটা।
পড়ে এসে খতিয়ান করে আমার বাবার দাগটি প্রভাবশালীরা নিয়ে যায়। রাঙ্গাবালী সিনিয়র সহকারি জর্জ আদালতে দেওয়ানী মামলা করে রায় দিঘির আদেশ বলে নতুন খতিয়ান তৈরি করি। পরে আমি এবিষয়ে রাঙ্গাবালী সহকারী কমিশনার ভূমির মো.নাহিদ ভূঁইয়ার সহযোগিতায় মামলার রায় ডিগ্রীর বলে মিউটেশন করে খাজনা দাখিলা তৈরি করি।
অবশেষে আজ শুক্রবার বেলা ১২ টায় চর মার্গারেট গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সরকারি সার্ভেয়ার নিয়ে আমার জমিতে পিলার তৈরি করি। এসময়ে সরকারি সার্ভেয়ার মো.আমসার মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে জমির আশে পাশের সকলকে ডেকে জমি মেপে চারটি পিলার দিয়ে দেন। চরমোন্তাজ ইউনিয়ন তহশিলদার বাচ্চু মিয়া, এবিষয়ে সাভেয়াব আমসার মিয়া বলেন, মহেন্দ্র চন্দ্র শীলের এর মৃত্যুতে এই জমির মালিক পুত্র মনোহর চন্দ্র শীল বি.এস খতিয়ান নাম্বার ২০২৬-১০০০০৫ যার দাগ নাম্বার ২০৭৬,২০৭৭ থেকে ১৫০ শতাংশ জমি মেপে মনোহর চন্দ্র শীলকে পিলার দেওয়া হলো।
এসময়ে উপস্থিত ছিলেন আলী আহমেদ হাওলাদার, ফজলু সর্দার, মজিবর হাওলাদার, মোহাম্মদ মামুন মিয়া, হৃদয় বারই, কমল সরকার, পঙ্কজ গাঙ্গুলী, জাকির চৌকিদার, রুবেল মিয়া, বসার মিয়া,সন্তোষ বসু, নিপা বারুই, শিল্পী দেবনাথ, নিতু বারই, মনোহর চন্দ্র শীলের স্ত্রী সবিতা রানীসহ আরও অনেকে।



