print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,০৯, সেপ্টেম্বর,২০২৩

তানজিন আহমেদ সা’দ কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার মুরাদনগরে যুব মহিলা লীগের নেত্রী সাকিকে ঘিরে ফেসবুকে তোলপাড়। তবে এ বিষয়ে যাদেরকে ঘিরে এ আলোচনা তাদের পক্ষ থেকে কোন প্রকার প্রতিবাদ বা প্রতিক্রিয়া না থাকায় সন্দেহ আরো গারো হচ্ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। বিষয়টি নিয়ে প্রথমে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে সকলের আলোচনার কেন্দ্রবৃন্দুতে রয়েছেন উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের বাসিন্দা রাজিব আহমেদ। তবে রাজনৈতিক মাঠে হুট করে এসে উত্তাপ ছড়ানো কুমিল্লা উত্তর জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ন আহবায়ক সাকি মুখ খুলতে নারাজ। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়ার পর সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে লাইন কেটে দেন।

এ বিষয়ে গত ১৫ দিন ধরে ধারাবাহিক ভাবে ফেসবুকে মুরাদনগরের ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন ও সাকির ছবি পোষ্টকরে রাজিব আহমেদ লিখেন, ঘরে অসুস্থ স্ত্রী রেখে দলিয় কর্মী আলমগীরের স্ত্রীর সাথে পরকিয়া করে বিয়ে করলেন ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন।

ঘটনার সন্ধানে রাজিব আহমেদের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,বদমাইশের রুপকার কখনো উন্নয়নের রুপকার হতে পারে না। একজন জনপ্রতিনিধি একের পর এক পরকিয়া আসক্ত হয়ে জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছেন। তার সাথে ভুক্তভোগি কোন মানুষ দেখা করতে পারেন না। আর যারাই দেখা করতে পারছেন, তারা তার পিএসকে সুবিধা দিলে দেখা করতে পারেন।

তিনি আরো বলেন, ইউসুফ হারুন প্রথম আলোচনায় আসেন বাঙ্গরার যুবলীগ নেতা শাহজালালের ভাগনি পাপিয়াকে (রাইছা) বিয়ে করে। বিয়ের কিছু দিন পর থেকে যখন তার কোন খুজ খবর নেয়া বন্ধ করে দেন ইউসুফ হারুন, তখন পাপিয়া ঘটনাটি জন সমুখে নিয়ে আসার হুমকি দিলে, ইউসুফ হারুনের ঘনিষ্ট জন হিসেবে পরিচিত যুবলীগ নেতা ইসমাইল,টাইলস রফিক ও বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক গোলাম সারওয়ার চিনু মাধ্যমে ৬০ লক্ষ টাকা রফাদফা করেন। কিন্তু রফাদফার পরেও টাকা হাতে পায়নি ভোক্তভুগী রাইসা আক্তার পাপিয়া । পরে এক পর্যায়ে আত্মহত্যা করতে গেলে পরিবারের বাধার মুখে পাপিয়া আর তা করতে পারেনি। এখন সে নিরুদ্দেশ। ভয়ে পরিবারের লোক জন মুখ খুলছে না।

এই ঘটনার রেশ না কাটতেই এখন যুবলীগের সাকিকে নিয়ে পরকিয়ায় মেতেছেন। গত এক মাস আগে ২২ লক্ষ ৫০হাজার ৩শ সাতাশ টাকার ফার্নিচার কিনে দিয়ে গুলশানে ফ্লাট ভাড়া করে দিয়েছেন ইউসুফ হারুন। মুখ বন্ধ রাখার জন্য সাকির স্বামী আলমগীর হোসেনকে মুরাদনগর ১৩ নং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য পদ দিয়ে খাদ্য গুডাউনের পিছনে ৫০ লক্ষ টাকা দিয়ে প্লট কিনে দেন। এই ঘটনা মুরাদনগরের আনাচে কানাছে ছরিয়ে গেলেও ভয় কেউ মুখ খুলছেন না।
তবে এই ঘটনার বিষয়ে জানতে ইউসুফ হারুনের মোবাইলে ফোনে একাধিক চেষ্টা করেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।