
প্রকাশিত, ০২-১২-২০২০
আকাশ মার্মা মংসিং বান্দরবানঃ
এইদিকে পার্বপত্য চটগ্রাম শান্তিচুক্তির ২৩ তম বর্ষপূর্তি ২০২০ উদযাপন উপলক্ষে বান্দরবানে আলোচনা সভা ও শীতবস্ত্র বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ২ নভেম্বর (বুধবার) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ মাঠ প্রাঙ্গনে বেলুন উড়িয়ে ও কেক কাটিয়ে শান্তিচুক্তির বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব ক্যশৈহ্লা মার্মা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন, বান্দরবান সিভিল সার্জন
ডাঃ অংসুই প্রু, বান্দরবান সেনা রিজিয়নে মেজর মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষিপদ দাশ, নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শেখ শহিদুল ইসলাম,অনুষ্ঠানে সবাপতিত্ব করেন, বান্দরবান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক লুৎফর রহমান।
বক্তব্য প্রধান অতিথি বলেন, আজ পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরের ২৩ বছর পূর্তি। পাহাড়ে দীর্ঘ দুই যুগেরও অধিক সশস্ত্র যুদ্ধের পরিসমাপ্তি হয় এই চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে। ১৯৯৭ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরের আজকের এই দিনে যৌথভাবে পথ চলবার প্রত্যাশায় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির স্টেডিয়ামে বর্তমান এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পাহাড়ের পক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান ও জনসংহতি সমিতি সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) শ্বেত কপোত উড়িয়েছিল। পাহাড়ের আকাশে এই শ্বেত কপোতের উড্ডয়ন পাহাড়ের মানুষের মনে নিয়ে আসে শান্তির বাতাবরণ। ঝঞ্চা বিক্ষুব্ধ আর অনিশ্চিত অবস্থা থেকে উত্তরণের প্রত্যাশায় মানুষ উন্মুখ হয়ে মুখিয়েছিল এ চুক্তির দিকে। অধিকারের প্রশ্নে অস্ত্র তুলে নেয়া তরুণ পাহাড়ী মানুষটি যখন তাঁর সমস্ত জীবন আর যৌবনের শ্রেষ্ঠ সময় কাটিয়ে অস্ত্র সমর্পন করতে যাচ্ছে তখন তাঁর মধ্যে জেগেছিলো শিহরণ আর বঞ্চনা থেকে মুক্তির আকাঙ্খার হাজারো স্বপ্ন। সরকার পাহাড়ে শান্তির জন্য পার্বত্য শান্তি চুক্তি করেছে এবং আন্তরিকতাএ সাথে পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন করেছে।
এই দিকে অনুষ্ঠান শেষে বান্দরবান জেলায় শান্তিচুক্তির উদযাপনকে ঘিরে শতাধিক নারী ও পুরুষের মাঝে মেডিসিন,ঔষধ বিনামূল্যে ওষুধ ও শীতবস্ত্র বিতরন করা হয়।


