
প্রকাশিত,১৬, অক্টোবর,২০২২
আছমা আক্তার আখি
পঞ্চগড় প্রতিনিধি।
পঞ্চগড়ে আশ্বিন মাসের শেষের পড়েছে শীত উঁকি দিচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘা।
রাত থেকে ভোর পর্যন্ত ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকতে দেখাগেছে ভোরে কচি ঘাসের ডগায় রোদ্রের ছোঁয়ায় মুক্তোর মতো শিশির হাসে সেই দৃশ্য যখন চোখে পড়ে তখনই শিশিরের চিকিমিকি মুক্তোর হাসি ক্যামেরাবন্দি করা হয়।
পঞ্চগড় জেলা হিমালয় কন্যার পাদুদেশের জেলা এখানে সবার আগে শীত আশে সবার শেষ বিদায় নেয়। শীতের তীব্রতা থাকে অনেক বেশি হিমালয় পাদুদেশের উত্তরের হিমেল হাওয়ায় তখন প্রচন্ড শীতে মানুষ জড়োসড়ো হয়ে পড়ে। তারপরেও কৃষাণ-কৃষাণীরা চা বাগান কিংবা চা ইন্ডাস্ট্রিতে এমনকি নদী থেকে নুড়িপাথর তুলতে শিত তাদেরকে ঠেকাতে পারে না।
তখন হিমালয় কন্যা পাদুদেশের কাঞ্চনজঙ্ঘার অপূর্ব লীলাভূমি দেখার জন্য বিভিন্ন জেলা থেকে পর্যটকদের আগমন চোখে পড়ে।
এ জেলায় শুরু হয়েছে শীতের তীব্রতা পঞ্চগড় জেলা এখন আর পিছিয়ে নেই, এ জেলা অন্যান্য জেলাকে দিতে পারে, যেকোনো ধরনের পাথর বালি এবং উন্নত মানের তাজা চা।
তাই পঞ্চগড় জেলা এখন আর পিছিয়ে নেই, অন্যআন্য জেলা যা দিতে পারবেনা পঞ্চগড় জেলা তা দিতে বাধ্য।
তাইতো কবির ভাষায় বলতে হয় এত সুন্দর পাথর বালি চা কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি সকল জেলার সেরা জেলা আমার পঞ্চ ভূমি।
এখানেই শেষ নয় পঞ্চগড় জেলা থেকে শীতের সময় বিভিন্ন প্রজাতির শীতের সবজি ঢাকা সহ বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি হয়, মধুমাসে রপ্তানি হয় আম, কাঁঠাল, লিচু, ড্রাগন, ইস্টোবেরি সহ আরো অনেক প্রজাতি ফল যা একমাত্র পঞ্চগড়ের মাটিতেই ফলে।
একসময় পঞ্চগড় জেলা ছিল একটি অবহেলিত জেলা এখন আর অবহেলিত নয় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এসে একখণ্ড জমি ক্রয় করে বাড়ি করে এ জেলাতে থেকে যান।
কেননা এ জেলার মানুষ সহজ-সরল নম্র-ভদ্র তাই। তবে ভাববার বিষয় জেলাটি এখন আর আগের মত নেই।
