print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,২৩,মে,২০২১

মোঃ বাবুল নেত্রকোণাঃ

সারা দেশের ন্যায় নেত্রকোণা জেলায় কৃষকের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যে ধান ক্রয়ের কথা থাকলেও এর উল্টো প্রভাব দেখা যাচ্ছে খালিয়াজুরী উপজেলা খাদ্যগোদামে। খালিয়াজুরী উপজেলায় লটারীর মাধ্যমে কৃষক নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ধান ক্রয়ের কথা থাকলেও রহস্যজনক ভাবে ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা দীপায়ণ দত্ত মজুমদার নিজ খেয়াল মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নিম্নমানের ধান গোদামজাত করছেন বলে জানান এখানকার এলাকাবাসী। জানা যায়, আবহাওয়া অনুকূল ভাল থাকায় এ বছর খালিয়াজুরী উপজেলায় ইরি-বোরোর বাম্পার ফলন হয়েছে। বাম্পার ফলনের খুশির খবর পেয়ে নেত্রকোণা জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক কাজি মো: আবদুর রহমান সরেজমিনে গিয়ে এলাকার কৃষকদের দ্রুত ধান কাটার জন্য তাগিদ দেন এবং জেলা প্রশাসক কাজি মো: আবদুর রহমানের নির্দেশেই খালিয়াজুরীর কৃষকরা দ্রুত ধান কর্তন করে নিরাপদে বাড়িতে সংরক্ষণ করেছেন। সরকারী ভাবে ২৬ এপ্রিল থেকে খালিয়াজুরী উপজেলায় ধান ক্রয়ের সিন্ধান্ত গৃহিত হয়। এই মৌসুমে খালিয়াজুরী খাদ্যগোদামে ২ হাজার ৮৩৮ মেট্রিক টন ধান এবং ৫০ মেট্রিক টন চাল ক্রয়ের নির্দেশনা রয়েছে। কিন্থু একি ধান নিয়ে কেন ধান্দাবাজী খাদ্য কর্মকর্তার দীপায়ণ দত্ত মজুমদারের। তিনি লটারীর মাধ্যমে কৃষক নির্ধারনের আগেই দুই রাতেই প্রায় ৮০০ মেট্রিক টন ধান খাদ্যগোদামে সংরক্ষণ করলেন সকলের অগোচরে তিনি সাধারণ কৃষকদের সংগে করছেন আইনি পদার্পণ ..? এই প্রশ্ন কাকে করবেন সাধারণ কৃষক গণ তাইতো তারা হতাশাগ্রস্ত হয়ে ক্ষোভ বহিঃপ্রকাশ হয়ে বলেন, আমরা গরীব গরীব হয়ে থাকবো যারা প্রভাবশালী তারাই খাদ্যগোদামে ধান দিয়ে আরো বড়লোক হোক। জানার জন্য ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা দীপায়ণ দত্ত মজুমদারের মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান, যে উপজেলায় অন-লাইন আবেদনের সুযোগ নেই সেই সব উপজেলায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ধান ক্রয়ের নির্দেশ রয়েছে তাই আমি অগ্রাধিকার ভিত্তিতেই খাদ্যগোদামে ধান ক্রয় করছি। বিষয়টি জানার জন্য খালিয়াজুরী উপজেলার নির্বাহী অফিসার এ.এইচ.এম আরিফুল ইসলাম এলিন দেশ-সময় কে বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি কিন্থু লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে তালিকা প্রণয়ন সংশোধন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্তা নিবো।