
প্রকাশিত,১৮, জুন,২০২১
মোঃ বাবুল নেত্রকোণা থেকেঃ
একজন ডিসি সরকারের উচ্চমান কর্মকর্তা যিনি উপ-সচিব পদমর্যাদা এবং স্বনামধন্য নেত্রকোণা জেলা প্রেসক্লাবের সম্মানিত সভাপতি তিনিই হলেন কাজি মো:আবদুর রহমান।
নেত্রকোণা জেলায় যোগদানের পর থেকেই জেলা উপজেলায় মানব কল্যাণের জন্য সভা সেমিনার করে যাচ্ছেন।
তিনি প্রতিটি ভূমি সহকারী কমিশনারদের কে আগত সাধারণ মানুষের সেবার মান দেওয়ার জন্য অগ্রনী ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন। সারা দেশে যখন করোনার প্রাদুর্ভাব ঠিক তখন থেকেই সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সাহায্য প্রদান এবং করোনার দিক গুলি তুলতে অবাধে চলা-চলে তিনি নিজেও করোনায় আক্রান্ত হন।
তারপরেও পিছু হটেনি এই মানবিক মানুষটি। গত রমজান মাসে বাজার মনিটরিং এবং অসহায় গরীব মানুষের কাছে গিয়ে ঈদ-সামগ্রী উপহার পৌছে দেন।
আরো জানা যায়, গত রমজান মাসে আটপাড়া উপজেলার শুনই ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামের অসহায় পরিবারের ৮ বছরের শিশু কণ্যা তানজিনা আগুনে পুড়ে সমস্ত শরীর পচে যায় এই খবর সামাজ্বিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া মাত্রই ইফতার শেষে ছুটে যান তানজিনার বাড়িতে তৎক্ষণাৎ টাকা দিয়ে চিকিৎসার জন্য এম্বুলেন্স দিয়ে ঢাকা বার্ন ইউনিটে পাঠান। আজ কিন্তু অবুঝ কণ্যা তানজিনা সুস্ত। নেত্রকোণা জেলার আরেক শিশু কণ্যা রিমুর চিকিৎসার জন্য ঢাকা বার্ন ইউনিটে পাঠান এই মানবিক জেলা প্রশাসক কাজি আবদুর রহমান।
কয়েকদিন পূর্বে দূর্গাপুর উপজেলায় পরিদর্শনে যান সেখানকার জন-জীবন কেমন কাটে তা দেখার জন্য পাহাড়ীদের কাছে ছুটে যান গিয়ে তিনি দেখতে পান পানি পিপাসা মিটানোর জন্য অনেক কস্ট করে পানি সংগ্রহ করতে হয় এই দৃশ্যপট তিনি অপলক চাহনিতে দেখেন এবং পাহাড়ীদের কস্টটা শেয়ার করার জন্য অনেকক্ষণ অবিচল ভাবেই দাঁড়িয়ে থাকেন যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। যিনি মানবিক তিনিই বুঝেন মানুষের দুঃখ। এই বিষয়ে নেত্রকোণা জেলার সুশীল সমাজ থেকে সাধারণ মানুষের মতামতে জানা যায়, তিনি একজন জেলা প্রশাসকই নন তিনি সাধারণ থেকে অতি সাধারণ। এই প্রসংগে শিক্ষানুরাগী মানবিকখ্যাত সুযোগ্য জেলা প্রশাসক কাজি মো: আবদুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, সরকার আমাকে নেত্রকোণা জেলায় পাঠিয়েছেন মানুষের সুবিধা-অসুবিধা দেখার জন্য এবং আইন প্রশাসন ঠিক রাখার জন্য আমি চেস্টা করে যাচ্ছি। আমি আপনাদের সকলের সহযোগীতা চাই যেন আমি আমার দায়িত্ব সঠিক পথে চালাতে পারি।


