print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,১৬, নভেম্বর,২০২১

মোঃ বাবুল নেত্রকোণা থেকেঃ

নেত্রকোণা জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষকদের শিক্ষার পাঠদান আরো অগ্রণী ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ে বিভিন্ন প্রকার ট্রেনিং করার গুরুত্বপূর্ণ কর্মস্থল পিটিআই ভবন।

আর সেই পিটিআই ভবনেই একের পর এক দূর্গ উঠেছে দূর্নীতির আখড়া। নাম প্রকাশে একাধিক শিক্ষক মন্ডলীর সংঙ্গে আলাপকালে জানা যায়,গত কয়েক মাস আগে পিটিআই ভবনে ৩০জন ট্রেইনারকে ট্রেনিং করানো হয় গনিত অলিম্পিয়াড।

আর সেই গনিত অলিম্পিয়াড প্রশিক্ষণদের কাছ থেকে কোন নীতিমালা না থাকা সত্বেও পিটিআই প্রধান সুপার জাহানারা খাতুন জনপ্রতি ৮০০টাকা নিয়েছেন পরক্ষণে বিষয়টি জানা-জানি হলে নেত্রকোণা জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশ মোতাবেক ৫০% যথা প্রতিজন প্রশিক্ষণকে ৪০০টাকা ফেরত দিলেন সুপার জাহানারা খাতুন। এমনকি অনেকেই টাকা ফেরত নেননি।

অন্যদিকে প্রায় ৪০০জনের Dpead ট্রেনিং বাবদ প্রতিজনের কাছ থেকে সুপার জাহানারা খাতুন নিলেন ১ হাজার টাকা করে। কোন প্রকার সরকারী নীতিমালা নেই তারপরেও সুপার নিজের ক্ষমতাবলে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা।

এমন প্রশ্নের জবাবে সম্মানিত পিটিআই প্রধান সুপার জাহানারা খাতুন প্রথমে নিজেকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা দাবী করে বলেন,আমি যত টাকা নিয়েছি তা সরকারের নীতিমালায় আছে।
পরক্ষণে এই প্রতিবেদকে বলেন,আমাকে মন্ত্রী, এমপি অনেকেই পছন্দ করেন আমার কাজ দেখে উনারা খুবই খুশি।

সরকারী নীতিমালায় যেহেতু প্রশিক্ষণের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিধান রয়েছে তাহলে জেলা শিক্ষা অফিসার জনাব ওবায়দুল হাসানের নির্দেশক্রমে ৪০০টাকা করে ফেরত দিলেন কেন–? এমন প্রশ্নে সুপার জাহানারা খাতুন কোন উত্তর দিতে পারেন নাই।
পরবর্তীতে আসছে ৫ম শ্রেণীর সার্টিফিকেট বাবদ টাকা,প্রাক-প্রাথমিকের ভর্তি বাবদ টাকা নেওয়া,স্লিপের ৫০হাজার টাকার অনুসদ্ধান নিয়ে আগামী পর্বে আসছে।