print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,১৮, নভেম্বর,২০২১

মো: বাবুল নেত্রকোণা থেকেঃ

গত দুইদিন আগে গনিত অলিম্পিয়াড এবং DPEAD ট্রেনিং বাবদ অতিরিক্ত প্রতিজন শিক্ষক /শিক্ষিকার কাছ থেকে চা-পান বাবদ ১ হাজার এবং গনিত অলিম্পিয়াড বাবদ ৮০০ টাকা নেওয়া হলে পরক্ষণে বিষয়টি জানা-জানি হলে পিটিআই প্রধান সুপার জাহানারা খাতুন ৫০% টাকা ফেরত দেন যা সংবাদকর্মীর কাছে সুপার জাহানার খাতুনের স্বীকারোক্তি আছে।

এর দুই না যেতেই আবারো বের হয়ে আসলো পিটিআই সংলগ্ন পরীক্ষণ বিদ্যালয়ে উন্নয়ন বাবদ স্লিপের ৫০ হাজার টাকা সুপার জাহানারা খাতুন উত্তোলন করলেও দৃশ্যমান কাজ সরজমিনে পাওয়া যায় চৌবাচ্ছা,প্রাক-প্রাথমিক রুম রংকরণ।
স্কুলের উন্নয়ন বাবদ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে কি উন্নয়ন করা হয়েছে জানতে চাইলে সম্মানিত সুপার বলেন টাকা উত্তোলন করেছি কিছু কাজ করেছি এবং বাকি কাজ গুলি করে নিবো। প্রশ্ন থেকে যায় স্লিপের ৫০ হাজার টাকা মার্চ-এপ্রিলে উত্তোলন করা হলেও তিনি কাজ এখনো করে যাচ্ছেন। বিষয়টি রহস্যজনক।

আরো জানা যায়, গত বছর ৫ম শ্রেণী পাস সার্টিফিকেট বাবদ প্রতিজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকেও টাকা নেওয়ার গুঞ্জন শুনা যায় কিন্তু এ ব্যাপারে সুপার জাহানারা খাতুন বলেন গত বছর ৫ম শ্রেণীর সার্টিফিকেট বাবদ নয় ফরম বাবদ ১০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। নীতিমালায় আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন সরকারী ভাবে নীতিমালা আছে বিধায় আমি নিয়েছি।
পরবর্তীতে আসছে পিটিআই ভবনে হোস্টেল মেরামতের টাকার উৎস কোথায়—? এবং প্রাক-প্রাথমিক শিশুদের কাজ থেকে ভর্তি বাবদ টাকা নেওয়া।