print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,১৫, জুন ২০২১

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ঃ

কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সর্বোচ্চ করোনা শনাক্ত হয়েছে ৯৮ জনের। একই সময়ে নতুন করে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের।কুষ্টিয়ায় অতীতের সব রেকড ভেঁঙ্গে একদিনে সর্বোচ্চ ৯৮ জনের দেহে করোনা ভাইরাস (কোভিড – ১৯) শনাক্ত হয়েছে।

আজ রাতে জেলা প্রশাসন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এক দিনে সর্বোচ্চ ৯৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।সেই সাথে একই দিনে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

২৩৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে চলতি বছরে এটাই সর্বোচ্চ শনাক্ত। শনাক্তের হার ৪২.০৬ শতাংশ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কুষ্টিয়া সদর উপজেলাতেই ৬৫ জন রয়েছেন,এর আগের দিন সদরে ছিল ৩৯ জন।কুমারখালীতে শনাক্ত হয়েছে ১২ জন, আগের দিন ছিল ১৫ জন।
দৌলতপুরে ০৬ জন, আগের দিন ছিল ১৭ জন।ভেরামারায় ০৬ জন, আগের দিন ছিল ০৫ জন।মিরপুরে ০৮ জন, আগের দিন ছিল ১২ জন।খোকসায় ০১ জন, আগের দিন ছিল ০৩ জন।হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন আছেন ৭০ জন এবং হোম আইসোলেশনে আছেন ৭৪৭ জন। তথ্য মতে কুষ্টিয়া জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮১৭ জন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি,কুষ্টিয়া জেলায় কোভিড (১৯) পরিক্ষা, শনাক্তকৃত রুগী,রিকোভারী এবং মৃত্যু সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, অদ্যাবদি পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ৫৮৩৪ জন। অদ্যাবদি রিকোভারী রুগীর সংখ্যা ৪৮৮২। অদ্যাবদি মৃত্যুবরণ করেছেন ১৩৫ জন।কোভিড -১৯ পরিক্ষা হয়েছে এমন ব্যক্তির ল্যাম্পলের রিপোর্ট অপেক্ষমাণ রয়েছে অদ্যাবদি ৮৭৯ জনের।

আজ রাত ১০ টার সময় কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, দেশে করোনা ভাইরাস(কোভিড – ১৯) শনাক্তের শুরু আজ অদ্যাবদি কুষ্টিয়ায় এই প্রথম একদিনে সর্বোচ্চ ৯১ জনের দেহে করোনা ভাইরাস(কোভিড – ১৯) শনাক্ত হয়েছে।দিন দিন আগে সব রেকড ভেঁঙ্গে এক দিনে সর্বোচ্চ করোনা শনাক্তের রেকড দেখা যাচ্ছে ।
কুষ্টিয়ায় করোনা ভাইরাস ভয়াবহ থেকে ভয়ঙ্কর রুপ ধারন করার পথে।কুষ্টিয়াবাসীকে আরো সচেতন হতে হবে। কুষ্টিয়ার মানুষের চিকিৎসা সেবাই আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। কিন্তু কুষ্টিয়া বাসি করোনার যে বিধিনিষেধ আছে তা মানার প্রবনতা কম ।যার কারনে দিন দিন শনাক্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এখানে আজ রাত ১২ টা পাড় হলে ৫ দিন ধরে কঠোর বিধিনিষেধের পথে প্রবেশ করবে। এরপরও কেন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, তা গবেষণা করা প্রয়োজন। সংক্রমণ ঠেকাতে কঠোর থেকে কঠোর লকডাউনের মতো ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

হাসপাতালটির মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এ এস এম মুসা কবির বলেন, এভাবে আক্রান্তের রুগীর সংখ্যা বাড়তে থাকলে সেবা প্রদান করা কঠিন হয়ে যাবে।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আবদুল মোমেন গণমাধ্যমকে বলেন, পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও নার্স না থাকলেও এদিক–সেদিক করে চালানো কঠিন হয়ে গড়েছে। করোনা রুগীর চিকিৎসা আমাদের ডা. সব সময় নিরলস ভাবে সেবা দিয়ে আসছে।তবে অতিরিক্ত রুগীর চাপে হিমশিম হতে হচ্ছে ।