print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,৩০ এপ্রিল, ২০২১

সোহাগ হোসেন বেনাপোল প্রতিনিধিঃ

মহামারি করোনার ২য় ধাপে যখন আমদানি রপ্তানি সচল তখন যশোরের বেনাপোল কাস্টমস হাউজে ঘুষের টাকা নিয়ে দর কষাকষিতে মেতেছে পরীক্ষণ গ্রুপ এর রাজস্ব কর্মকর্তা আঃ সালাম।
তিনি সিএন্ডএফ এজেন্ট কর্মীদের ফাইলে বিভিন্ন সমস্যা আছে, মাল বেশি এধরনের কথা বলে, বিভিন্ন ভয়ভীতি ছলচাচুরি দেখিয়ে জোরপূর্বক ঘুষের টাকা আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঘুষের টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও তে দেখা যায়, এই রাজস্ব কর্মকর্তা সিএন্ডএফ এজেন্ট কর্মীদের কাছ থেকে ফাইল প্রতি বিভিন্ন সমস্যার কথা বলে ৩০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করছেন। কোন সিএন্ডএফ এজেন্ট কর্মী যদি বলেন স্যার গেটপাশ করার সময় টাকা দেবো। তাহলে তিনি তাদের ফাইলে সই করেন না। ভিডিওটিতে দেখা যায়, তার ড্রয়ারে টাকা দেওয়া পর তিনি ফাইলে সই করছেন। সেই সাথে তিনি সিএন্ডএফ এজেন্ট কর্মীদের সাথে ঘুষের টাকা নিয়ে দর কষাকষি করেন।

এবিষয়ে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ এসোসিয়েশনের একজন কর্মী বলেন, সালাম স্যার ফাইল পরীক্ষণের সাথে সাথেই তাকে ঘুষের টাকা পরিশোধ করতে হয়। টাকা না দিলে তিনি ফাইলে সই করেন না। বরং নানা ভাবে আমাদেরকে হয়রানি করেন। আমাদের অফিসের মাহাজনরা গেটপাশ করার সময় টাকা দেন। সে কথা তাকে বললে, তিনি বলেন আমি নগদ ছাড়া ফাইলে সই করিনা। তাই বাধ্য হয়ে নিজেদের পকেট থেকে টাকা দিয়ে হয়।

এবিষয়ে রাজস্ব কর্মকর্তা আঃ সালাম পরিক্ষন গ্রুপ-২ বলেন, ওসব ফাও লেখালেখির ভয় দেখিয়ে আমাকে লাভ নেই। আপনাদের কিছু করার থাকলে করে নেন।

বেনাপোল কাস্টমস হাউজের ডেপুটি কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি আমি জানি না। আর আমার কাছে এবিষয়ে কেউ কোন অভিযোগও করেনি।

এ সংবাদ সোসাল মিডিয়ায় প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথে তিনি সাংবাদ প্রকাশ না করার জন্য সাংবাদিকদের ম্যানেজ করতে জোর তদবির করছেন।

প্রেরকঃসোহাগ হোসেন
বেনাপোল যশোর,
৩০/৪/২১