print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,১৫, এপ্রিল,২০২২

স্টাফ রিপোর্টারঃ

পবিত্র রমযান মাসকে পুঁজি করে মৌসুমী ব্যবসায়ীদের অপতৎপরতা উদ্বেগজনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে ভেজাল পণ্য ।
এসব ব্যবসায়ীদের চোখ ধাধানো বাহারী পণ্য সামগ্রী ক্রয় করে ক্রেতা সাধারণ প্রতারিত হচ্ছে। এছাড়া ও খুচরা ব্যবসায়ীদের দোকানেও ভেজাল পণ্য সামগ্রী অহরহ বিক্রি হওয়ায় সুবাধে রমযানের শুরু থেকে ভেজাল পণ্য সামগ্রীতে সয়লাব হয়ে পড়েছে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার হাটবাজার সমুহ।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানেও থামছে না মানহীন ভোগ্যপণ্যের বাজারজাত। নিম্নমানের এসব কোমল পানি যা আইসললি নামে পরিচিত শহর থেকে শুরু করে ধূমধামে বিক্রি হচ্ছে গ্রামেগঞ্জেও। ভেজাল পণ্য বাজারজাতে পেছনে রয়েছে একটি অতিমুনাফালোভী চক্র। অসাধু চক্রের কারণে ভোগ্যপণ্যে চরম হুমকিতে জনস্বাস্থ্য। প্রতিবছর রোজা আসলে ভেজাল প্রতিরোধে নেয়া হয় নানা উদ্যোগ। চলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। কিছুদিন পর অভিযান থেমে যায়।

অব্যাহত থাকে ভেজালকারীদের তৎপরতা। এবারও অভিযান চলছে, চলছে ভেজালপণ্য ধ্বংস ও জরিমানা। তবে অভিযানে বাইরে রয়ে গেছে একটি সিন্ডিকেট চক্র।
অভিযানে দেখা গেছে, ভেজাল, নকল, মানহীন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি সামগ্রী। মানহীন হলুদ, মরিচ, মসলা, হাট-বাজার, ফুটপাত সর্বত্রই মিলছে ভেজাল পণ্য।
অনুসন্ধানে দেখাযায়, আজমিরিগঞ্জের, কাকাইলছেও, পাহাড়পুর, জলসুখা, শিবপাশা বাজার থেকে শুরু করে একাধিক স্থানে নকল ও নিম্নমানের পন্যে বিক্রি হচ্ছে। জানা গেছে শহরের পাইকারি বাজার থেকে ভেজাল পণ্য সরবরাহ করে সিন্ডিকেটের সদস্যরা গ্রাম-গঞ্জে বিক্রি করে। এসব পণ্যের প্যাকেট এতটাই নিখুঁত যে বোঝার উপায় নেই এটি আসল না নকল।

বিশেষ করে হাটবাজারের পাশে ফুটপাতে বসে বিক্রি করা খাদ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভেজাল রয়েছে। এই ভেজাল পণ্যে কিনে মানুষ একদিকে যেমন প্রতারিত হচ্ছে, আবার অন্যদিকে এসব খেয়ে আক্রান্ত হচ্ছে নানা জটিল রোগে।