
প্রকাশিত,২৩, সেপ্টেম্বর,২০২১
নিজস্ব প্রতিনিধি-ঃ
আজমিরীগঞ্জে পল্লীবিদ্যুতের মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং ও লো-ভোল্টেজের কারণে ঘরে রাখা টিভি, কম্পিউটার এসি সহ নানা ধরণের ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ও ফ্রিজে রাখা মাছ মাংস তরিতরকারি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ব্যবসা বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ছাড়াও অতিরিক্ত গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।
জানা যায়,
আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিংএ অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে উপজেলা বাসী।নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পেতে পল্লী বিদ্যুৎ এর অফিসে উপজেলাবাসী দীর্ঘ দিন ধরে দাবি জানিয়েছে কর্তৃপক্ষের কাছে তারপরও লোডশেডিং কমেছে না। দিনে এবং রাতে অসংখ্যবার বিদ্যুৎ যাওয়া আসা করছে, দিনের বেলায় আজমিরীগঞ্জ উপজেলা সহ বেশ কয়েক টি এলাকায় বিদ্যুৎ নেই বললেই চলে। এমন লোডশেডিং এর সুনির্দিষ্ট কারণ জানাতে ব্যর্থ পল্লীবিদ্যুৎ কৃর্তপক্ষ। অভিযোগ রয়েছে, কোন কোন দিন সারাদিন বিদ্যুৎ থাকেনা। আবার কিছু সময় থাকলেও রাতে লোডশেডিং মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যায় ।
এ নিয়ে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা সদর সহ বেশ কিছু গ্রামের পল্লীবিদ্যুতের গ্রাহকদের মাঝে। অনেকেই অভিযোগ করেছেন আজমিরীগঞ্জের জনসাধারণ পল্লী বিদ্যুতের সমস্যা আজকের নতুন নয় বিগত কয়েক মাস থেকেই এই অবস্থা চলছে। তবে গত কয়েক দিন যাবৎ ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে লোডশেডিং ও লো-ভোল্টেজের মাত্রা। দিনে কতবার যে বিদ্যুৎ আসা যাওয়া করে তার কোন হিসাব নেই। বিদ্যুতের এ সমস্যা নিয়ে আগে থেকে নিরসন না করেই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি শতভাগ বিদ্যুতায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জামিল মিয়া জানায়, বিদ্যুতের লোডশেডিং এর কারণে ব্যবসা বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই অবস্থা চলতে পারেনা। আমরা এমপি মহোদয়ের সরাসরি হস্তক্ষেপ ও স্হানীয় সংবাদ মাধ্যম কর্মীদের সুদৃষ্টি কামনা করছি। সদর উপজেলার অনেকেই জানায়, লোডশেডিং ও লো-ভোল্টেজের কারণে ব্যাংকিং কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যহত হচ্ছে। এ ছাড়া বাসা বাড়ির ফ্রিজ, টিভি সহ নানা ধরণের ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী নষ্ট হচ্ছে। এ ছাড়াও অফিসের কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে করে জেনারেটরের মাধ্যমে অধিক টাকায় কোন রকমে কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে ।
এ বিষয় পল্লী বিদ্যুৎ সদর দপ্তরের মোবাইলে ফোন দিয়ে কথা বললে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন জেনারেশন কম থাকায় বিদ্যুতের ভোল্টেজ খুবই কম থাকে। তাই একটি লাইন বন্ধ রেখে অন্য লাইন সঞ্চালন চালু রাখা হয়। আর সে কারণেই এ হেন অবস্থা । তাছাড়া ঝড় বৃষ্টির কারণে লাইন মেরামত করতে গিয়ে অনেক জায়গায় লাইন বন্ধ রাখতে হয় লোডশেডিং এর এটাও একটা কারণ রয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ এর মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং ও লো-ভোল্টেজ থেকে মুক্তি পেতে উপজেলার বিভিন্ন স্তরের পল্লীবিদ্যুতের গ্রাহকগণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে।


