
প্রকাশিত
আজাদ নাদভী,স্টাফ রিপোর্টার:
নির্বাচনের আগে অনেকেই অভিযোগ করেন যে নির্বাচনের পর সংসদ সদস্যদের আর এলাকায় দেখা যায় না। কিন্তু মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে মাননীয় সংসদ সদস্য শেখ মো.আব্দুল্লাহ ঘরে বসে থাকতে পারেননি, বরং জনগণের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন থেকে হঠাৎই এক সকালে সিরাজদিখান উপজেলার স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে আকস্মিক ভাবে সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়ে সাধারব মানুষের কথা শোনেন তিনি। সেবক কে কাছে পেয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগের শেষ ছিল না। দুর্নীতি, অনিয়ম আর চরম অবহেলার ভিড়ে রোগীরা ছিল দিশেহারা। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি, সকাল ৯টায় কাউকে কিছু না জানিয়ে আকস্মিকভাবে হাসপাতালে উপস্থিত হন মাননীয় এমপি মহোদয়।
তার এই ঝটিকা সফরে হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে রীতিমতো দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়ে যায়। কেউ তখনো কর্মস্থলে পৌঁছাননি, আবার কেউ বা কর্মঘণ্টায় আয়েশ করছিলেন। অন্যদিকে রোগীদের অবস্থা ছিল অত্যন্ত করুণ। এমপির উপস্থিতিতে সাধারণ রোগীরা যেন নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন খুঁজে পান এবং নির্ভয়ে তাদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও সমস্যার কথা তাকে জানান।
এসময় জনতার এমপি শেখ মো. আব্দিল্লাহ তাৎক্ষণিকভাবে কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন।
মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনের মানুষ যুগের পর যুগ এমন একজন জনপ্রতিনিধিই চেয়েছিলেন, যিনি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে না থেকে সরাসরি জনগণের পাশে দাঁড়াবেন। আজ শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ ভাই ঠিক সেটিই করে দেখালেন।
এসময় তিনি প্রতিটি ডাক্তার ও নার্সের হাজিরা খাতা পরীক্ষা করেছেন এবং দেরিতে আসাদের শাস্তির আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন। হাসপাতালের প্রতিটি বিভাগের গাফিলতিগুলো চিহ্নিত করে তাৎক্ষণিক সমাধানের ব্যবস্থা করেছেন। হাসপাতালের সামনে দালাল ও ব্রোকারদের দৌরাত্ম্য রুখতে নিরাপত্তা কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের পাশাপাশি নিয়মিত পুলিশি অভিযানের নির্দেশ দিয়েছেন। সরকারি ওষুধ বিক্রির দুর্নীতি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন। ওয়ার্ড ও কেবিনগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছেন এবং নিজস্ব উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ দিয়েছেন। রোগীদের সাথে নার্স বা ডাক্তারদের ব্যবহারের বিষয়ে সরাসরি রোগীদের মুখ থেকে অভিযোগ শুনেছেন। সরকারি সেবা সাধারণ মানুষের কাছে সহজভাবে পৌঁছে দিতে মাইকিং ও প্রচারের ব্যবস্থা করেছেন।
সাধারন জনগনের দাবী এটি কেবল একদিনের পরিদর্শন নয়, বরং একজন এমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে হাসপাতালের সেবার মান বজায় রাখতে তার এই কঠোর নজরদারি সর্বদা অব্যাহত থাকবে। আজ মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হতে চলেছে। কথায় নয়, বরং কাজের মাধ্যমেই শেখ মো.আব্দুল্লাহ ভাই প্রমাণ করে দিলেন যে তিনি একজন সত্যিকারের ‘জনসেবক’।



