print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,১১, জুন,২০২৩

সিলেট কোম্পানীগঞ্জ ঃ

কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও দৈনিক বিজয়ের কণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি মঈন উদ্দিন মিলনের বাড়ী ঘর লুটপাট ভাংচুর এর ঘঠনায় মামলা দায়েরে আসামীরা আদালতে জামিন চাইলে বিজ্ঞ আদালত ৪ জন আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। এজাহারভুক্ত আটককৃত আসামীরা হলো ফয়জুল,জুনায়েদ, সইবুর ও সামী।তাদের সকলের বাড়ী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উত্তর কলাবাড়ী গ্রামে। তবে প্রধান আসামী তজই পলাতক অবস্হায় রয়েছে।

মামলার এজাহার ও অনুসন্ধানে জানা যায় গত ০৬ ই এপ্রিল বালু ও পাথর খেকোদের তান্ডবে জাতীয় সম্পদ ধলাই সেতু হুমকির মূখে শিরোনামে স্হানীয় কয়েকটি সংবাদ প্রচার হলে চক্রটি সাংবাদিককে গুম খুন হত্যার মিশন আঁকে। ০৭ ই এপ্রিল পার্শবর্তী তজই, তারা, ফয়জল , জৈন উদ্দিন বাহীনি উপজেলার কলাবাড়ী গ্রামে সাংবাদিক ও তার পরিবারের মহিলা পুরুষ সদস্যদের এলোপাতাড়ি রামদা, সুলফি,রট, কাঠের লাটি দিয়ে প্রাণনাশের চেষ্টা চালায়। এতে অন্তত ১২/১৩ জন সদস্য মারাত্মক জখমী হন।পরিস্থিতি সামাল দিতে আহত সাংবাদিক পরিবার আত্মরক্ষা করলে হতাহতের ঘঠনায় কোম্পানীগঞ্জ থানায় উভয়পক্ষ এজাহার দিলে সাবেক জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান লাল মিয়ার সমন্বয়ে বিচার সালিশ গঠন করেন। সর্বশেষ গত ২৯ শে মে তৃতীয় ধাপে আপোষ মীমাংসা হওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত থাকলেও প্রভাবশালী চক্র গোপনে আদালতে মামলা দায়ের করে। এহেন পরিস্থিতিতে মুরব্বিরা আনামতি ফেরত দিয়ে আইনী আশ্রয়ের পরামর্শ দানে বাধিত করেন।
সাংবাদিক পরিবারের সকল সদস্য গ্রেফতার আতংকে সপ্তাহ খানি পেরুলে পরিবারের পক্ষ থেকে মাননীয় আদালতে মামলা দায়ের করেন হামলা ও লুটপাটের প্রতিকার চেয়ে গত ০৮ ই জুন মামলা নং জি আর ১০৬। পাশাপাশি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি বন্ধে আগাম জামিনের আবেদন মহামান্য হাইকোর্টে অদ্য ০৬/০৬/২৩ এ যৌথ ব্রাঞ্চের বিচারপতি মোঃ কামরুল হোসাইন মোল্লা, বিচারপতি খন্দকার দিলিরুজ্জামান সমন্বয় ব্রাঞ্চ জামিনের আবেদননটি আমলে নিয়ে আগাম জামিনে মঞ্জুরক্রমে আদেশ প্রদান করেন।

সাংবাদিক পরিবারের পক্ষে আদালত আজ ১১ ই জুন মাননীয় জেলা জুডিশিয়াল ম্যজিষ্টেট কক্ষে হামলাকারী আসামীরা জামিন চাইলে বিজ্ঞ বিচারক আলমগীর হোসেন উপরোক্ত চারজন আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। শুনানিতে বাদী পক্ষে অংশ নিয়েছেন সিনিয়র এডভোকেট মোতাহির আলী ও এডভোকেট জালাল উদ্দীন।