print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,১১, নভেম্বর,২০২২

আশিকুর রহমান, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ-

বাঞ্ছারামপুরের একাধিক ভোক্তার কাছে টিসিবি পণ্য বিতরণে নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্ধারিত সময়ে না দেওয়ায় অবরোধ করে রাখেন। পৌরসভা এবং বিভিন্ন ইউনিয়নে কার্ড থাকাসত্ত্বেও টিসিবির পণ্য পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ জানান ভোক্তারা বলেন কার্ড কেরে নিয়ে গেছে ইউএনও।

জানা যায়, বাঞ্ছারামপুরের পৌরসভার দূর্গারামপুর,
আসাদনগর,বাঞ্ছারামপুর, জগন্নাথপুরসহ কয়েকটি গ্রামের টিসিবির পণ্য বিতরণে দায়িত্বশীল উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে ভোক্তাদের নামের তালিকা প্রদান করেন জনপ্রতিনিধিরা।কিন্তু পৌরসভায় ২৭ শ’ কার্ডের মাঝে আজ ৯৫০ টি পরিবারকে পণ্য বিতরণের আওতায় আনা হয়।
জানানোর পর চরম ঝামেলায় পড়তে হয়। বিতরণকালে অনেককে না দিতে পরে ভোক্তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয়।পরিস্থিতি খারাপ হলে পুলিশ এসে নিয়ন্ত্রণ করেন।

বন্ধ করে দেয়। পৌরসভার
২৭০০ পরিবারের মাঝে টিসিবির পণ্য বিতরণ করা হয়েছে কার্ডধারী ভোক্তারা পেয়েছেন একাধিক বার অনেকে বস্তা ভরে নিয়ে আবার অনেকেই সারাদিন থেকেও পায় নি। পরে জনসংখ্যা ও ভোটারের ভিত্তিতে কোথায় কোথায় কম-বেশ করা হয়।

উল্লেখ্য,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ১০ নভেম্বর আজ পৌরসভার ২৭ শ পরিবারকে টিসিবি পণ্যের কার্ডধারী করেয়েছেন এর মাঝে ৯৫০ জনকে আজ দেওয়া হবে। আনসার বিডিপি
অফিসারের (ট্যাগ অফিসার বাঞ্ছারামপুর)মাধ্যমে ২ কেজি করে ডাল ও চিনি এবং ২ লিটার ভোজ্য তেল দেয়া হয় ন্যায মূল্য ৪০৫ টাকা করে বিক্রি করা হয়েছে। কিন্তু বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার অডিটোরিয়াম এলাকা থেকে কার্ডধারী ভোক্তাদের মধ্যে ২ কেজি চিনি,ডাল ও তেল ২ লিটার তেল বিতরণ করা হয়।

একপর্যায়ে তারা অডিটোরিয়ামের প্রধান ফটক অবরোধ করেন ভোক্তারা। উত্তেজিত জনতা টিসিবির পণ্য বিতরণ কারি লক্ষ্য করে দেখে এলোপাতাড়ি ভাবে ধাক্কা ধাক্কি করলে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে তখন বিতরণ বন্ধ করে দিয়েছে ডিলার নাসিমা এন্টারপ্রাইজ । এ সময় টিসিবি পণ্য বিক্রির সঙ্গে জড়িতরা অডিটোরিয়াম ভেতরে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার একিউ মিত্র চাকমা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীদের অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তৎক্ষণিক বিতরণ শুরু করে পরে পণ্য সঠিক পরিমাপ করে বিতরণ করলে জনতা হাতে টিসিবির পন্য পেয়ে শান্ত হয়।একজন কার্ড পাওয়া একাধিক পুরুষ/ মহিলা বলেন আমি সকালে এসে লাইনে দাড়িয়ে ছিলাম ইউএনও এসে আমাদের সকলের কার্ড নিয়ে বলল সবাই বাড়ি থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র নিয়ে আসত কথা মত নিয়েও আসলাম কি মাগরিব আজান দিচ্ছে না পেয়ে খালি ব্যাগ নিয়ে বাড়িতে যাইতাছি।

এবং ট্যাগ অফিসার বলেন শেষ আর দেওয়া হবে না, আবার বলে ১২/১৪ ব্যাগ আছে কিন্তু লোক বেশি থাকায় কারণে বিতরণ বন্ধ করে দিয়েছি।এদিকে ডিলার সুমন মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ২/৩ শ ব্যাগ আছে মানুষের চাপ কমলে বিতরন করব ।এসব বলে গেইটে তালা জুলিয়ে চলে যায় সুমন মিয়া। বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার মেয়র তফাজ্জল হোসেন বলেন আমি আমার কমিশনের মাধ্যমে গরিব ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মাঝে কার্ড বিতরণ করেছি।

এই নিয়ে ইউএনও একিউ মিত্র চাকমাকে মুঠোফোন জানতে চাইলে তিনি বলেন মাল শেষ হয়ে গেছে! তখন সাংবাদিক বলে আপনার ট্যাগ অফিসার বলল শেষ আর ডিলার বলল অনেক মাল রয়েছে তবে কথার গড়মিল। এসব কথা বলে সাংবাদিক আশিকুর রহমান একটি ভিডিও করে ইউএনও কাছে পাঠালে আরও রাগান্বিত হয়। তার পরে ৩ ঘন্টা পরে অডিটোরিয়াম এসে সবাই কে টিসিবির মাল সবার হাতে হাতে দিয়েছে ৩/৪ শত ব্যাগ। তখন উইএনও বিষয়টি বুঝতে পেরে নিজে দারিয়ে থেকে বিতরণ শেষ করে বলেন আমি কমিশনার ও মেয়রের (টুকেন)কার্ড কাজে লাগাইনি তাই একটু সমস্যা হয়েছে। সব মিলিয়ে বিতরণ সুন্দর হয়েছে।