
প্রকাশিত,১৬, অক্টোবর,২০২২
শেখ মোঃ আবুল বাসার, অভয়নগর(যশোর)ঃ
অভয়নগরে আলিপুর টু মক্কা সিমেণ্ট ফ্যাক্টরী পর্যন্ত সড়কটি বেহাল অবস্থায় পরিণত হয়েছে।
দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়ক জুড়ে বড় বড় খানা-খন্দের সৃষ্টি হওয়ায় ১৬ অক্টোবর (রবিবার) সকাল ১০ টায় সংস্কারের দাবিতে রাস্তায় নামেন নারী পুরুষসহ শিশু আবালবৃদ্ধ।
যশোরের অভয়নগরে নওয়াপাড়া পৌরসভার আলিপুর থেকে মক্কা সিমেণ্ট ফ্যাক্টরী পর্যন্ত সড়কটিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন সিমেন্ট ফ্যাক্টরী, সার ফ্যাক্টরী, ঘাট, গোডাউন সহ অসংখ্য সারের ড্যাম্প। এসকল শিল্প কারখানার মালিকরা হাজার কোটি টাকা আয় করেন এই সড়কটি ব্যবহার করে, অথচ কর্তৃপক্ষের নেক দৃষ্টিটুকু নেই সড়কটি সংস্কারের।
এলাকাবাসী গৌতম কুন্ডু বলেন, রাস্তার দুই পাশে নেই ড্রেন, নেই গাড়ি পার্কিং। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকার জন্য বৃষ্টি হলেই পানি বন্দি হয়ে পড়েন কয়েকটি পরিবার। খানা খন্দ গুলোতে জমে থাকে হাটু পানি। এ যেন এলাকাবাসির জন্য বরাদ্দকৃত সুইমিংপুল। আর শুকনো মৌসুমে ধূলার রাজ্যে পরিণত হয় সড়কটি। তাই স্থানীয়দের এ সড়কে চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে । সড়ক সংলগ্ন এলাকাবাসীদের বাড়িতে থাকাই দুরূহ হয়ে পড়েছে। সড়কটির এতটাই বেহালদশা যে সন্ধ্যার পর কেউ আর এ সড়কটি দিয়ে যাতায়ত করতে পারেনা। ফলে এলাকায় চুরি বৃদ্ধি পেয়েছে।
অপর ভুক্তভুগি মোফাজ্জেল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, একের পর এক জনপ্রতিনিধিদের কাছে ধর্ণা দিলেও তাদের দূর্ভোগ লাঘবে কারও কোন মাথা ব্যাথা নেই।সড়কের বেহাল দশার কারনে শিশুরা স্কুল, মাদ্রাসা, মক্তবে যেতে চায়না। এলাকায় বিয়ে সাদীসহ সামাজিক অনুষ্ঠান অনেকাংশে বন্ধ রয়েছে। বিশেষ করে অন্তঃসত্তা মায়েদের এ সড়ক দিয়ে চিকিৎসালয়ে নিয়ে যেতে চরম ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।সড়কটি দিয়ে মহাকাল, দিয়াপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকার শতশত মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে।
সরজমিনে দেখা গেছে, সড়কটির পুরটাই জুড়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। নাম বলতে অনিচ্ছুক একজন ভ্যান চালক বলেন, রাস্তায় গাড়ি বের করলেই কোন কোন না দূর্ঘটনায় পড়তে হয়। গাড়ি মেরামত করতে আয়ের তিনগুন খরচ হয়ে যায়।
এলাকাবাসি দাবি, পৌর মেয়র, উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ ও ঢালাই (সিসি) রোড, ড্রেনসহ ল্যামপোষ্টের ব্যবস্থা গ্রহন করলে দীর্ঘ দিনের দূর্ভোগ লাঘব হবে বলে মনে করেন এলাকাবাসি।
নওয়াপাড়া পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ তানভীর হোসেন (তানু) সাংবাদিকদের বলেন, রাস্তাটির প্রবেশ মুখে রাস্তার বর্ণনা সম্বলিত একটি সাইনবোর্ড রাতের অন্ধকারে কে বা কারা নিয়ে গেছে, রাস্তাটি সংস্কারের বিষয়ে অদ্যবধি কোন পদক্ষেপ নিইনি, ড্রেন ছিল কিন্তু বর্তমানে তা বিলুপ্ত আছে।
১৬/১০/২২


