print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,২৩, মার্চ,২০২২

মোঃফিরোজ ফরাজী
রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালী রাঙ্গাবালী উপজেলা ২০১২ সালে উদ্ভোদন হওয়ার পর এ পর্যন্ত কলাপাড়া থেকে এজি অফিসের কার্যক্রম চলছে।বেতন ভাতা তুলতে চরম ভোগান্তিতে পরতে হচ্ছে রাঙ্গাবালী উপজেলার সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের।
যাতায়াত ব্যাবস্তা খারাপ থাকার কারনে আসা যাওয়ায় দুই দিন লেগে যায়।এতে খরচ হয় ২০০০-৩০০০ টাকা।নদী পথ থাকার কারনে বর্ষার সময় আসা যাওয়া করা যায় না।আনেক সময় আবহাওয়ার করনে আটকে পরে থাকে হয় কলাপাড়ায়।

এর জন্য আর্থিক ও কর্মস্থল হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্থ।বিগত ছয় মাস আগে রাঙ্গাবালী উপজেলায় এজি অফিস আসে,এবং উপজেলা ভবনে এজি অফিস পরিচালনার জন্য একটি অফিস রুম ও দেয়া হয়ছে।দেখা যায় ছয় মাস যাবৎ এখানে একজন অফিস স্টাফ ও আছে।কিন্তু অফিসে একটি টেবিল ও অফিসের সামনে একটি ব্যানার ছাড়া কোন কিছুই নেই।
রাঙ্গাবালী উপজেলা এলজিইডির সার্ভেয়ার শহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের বেতন – ভাতা কলাপাড়া এজি অফিস থেকে আনতে হয়।এছাড়া ও আমাদের অনেক কাজ থাকে যেমন ঠিকাদারদের ও বিজ্ঞাপন বিল পাশ করে কলাপাড়া থেকে আনতে হয়।একবার কলাপাড়া যেতে খরচ যায় ২০০০-৩০০০(দুই থেকে তিন হাজার) টাকা।নদী পথ, বর্ষার সময় নদী এতোই। উত্তাল থাকে যে আনেক সময় এক সপ্তাহ থেকে পনেরো দিন পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যাঘাত ঘটে।আগে রাঙ্গাবালীতে সোনালী ব্যাংক ছিলো না।তাই তারা এজি অফিস নিয়া আসে নাই।এখন তো সোনালী ব্যাংক আছে।এখন কোন সমস্যা থাকার কথা না।রাঙ্গাবালীতে এজি অফিস আসলে আমরা যারা সরকারি চাকরি করি অমাদের দুঃখ কষ্টের লাগব হবে।

এবিষয় জানতে চাইলে গলাচিপা এজি অফিসের অডিটর মোঃ রিয়াজ মিয়া বলেন,আমরা অনেক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।তবে এখন পর্যন্ত আমরা এ্যাম্বুশ সীল সংগ্রহ করতে পারি নাই।তাছাড়া সোনালী ব্যাংক ও আমাদের কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেয় নাই।
আমরা আশা করি অতি তাড়াতাড়ি কার্যক্রম পরিচালনা করতে পরবো।

রাঙ্গাবালী এজি অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃআবু সালেহ বলেন,এ্যাম্বুশ সীল আমারা পাই নাই।এই সীল ছাড়া আমারা সোনালী ব্যাংকে লেনদেন করতে পারিনা।তবে আমাদের চেয়ার টেবিল বানানো থেকে শুরু করে সব প্রস্তুতি শেষ।এ্যাম্বুশ সীল পেলেই আমরা কার্যক্রম শুরু করতে পারি।