print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,০৬, মার্চ,২০২২

হৃদয় হোসাইনঃ

বর্তমান বাংলাদেশে যে ভাবে দিন দিন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির পাচ্ছে।এপরিস্তিতি নিয়ে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা,হতাশায় আর বিপাকে মধ্যবিত্ত,দিনমুজুর।

অভাব ও দারিদ্র্যের কশাঘাতে আজকের জনজীবন দুঃখ ও হাহাকারে পূর্ণ। মানুষের ওপর চেপে বসেছে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ঘোটক।

জীবনধারণের উপযোগী প্রতিটি জিনিসের অগ্নিমূল্য।চাল,ডাল,পেঁয়াজ,মরিচ মাছ,মাংস,তেল, তরিতরকারি,ফলমূল,চিনি,লবণ,গম,আটা,ইত্যাদি দ্রব্যের মূল্য আগের তুলনায় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।চিকিৎসা লেখাপড়া,গাড়ি ভাড়া পোশাকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষকে গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা ফলে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে।একদিকে করোনার প্রভাবে কর্মহীন মানুষ,অন্যদিকে রমজানের আগেই প্রতিটি জিনিসের অগ্নিমূল্য মধ্যবিত্তের চোখে মুখে হতাশার ছাপ।

ডাল আর ডিমের ওপরই ভরসা প্রত্যন্ত এলাকার খেটে খাওয়া পরিবারগুলোর।করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর থেকেই নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী।এসব নিত্যপণ্যের দাম কেন ঊর্ধ্বমুখী।

একটি অদৃশ্য সিন্ডিকেট অনিবার্য উদ্ভূত জনদুর্ভোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে লাগিয়েছে আগুন।আর সেই আগুনে পুড়ছে সাধারণ মানুষ।স্বাধীন দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বল্গাছাড়া অবস্থা দরিদ্র ব্যক্তিদের পক্ষে বজ্রাঘাততুল্য।স্বাধীন এ বাংলাদেশ দিনমজুর আর নিম্ন আয়ের মানুষের সংখ্যা সিংহভাগ।দেশের সকল মানুষের কথা মাথায় রেখে কর্তৃপক্ষের দ্রুত এ সমস্যা সমাধানের পিছনে ছুটতে হবে।পণ্যের লাগামহীন দামের কারণে সমাজে বাড়তে পারে হত্যা,মারামারি,হানাহানি,চুরি ছিনতাই সহ জঘন্যতম অপরাধের সংখ্যা।এক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের চোখ-কান খোলা রাখা জরুরি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

হৃদয় হোসাইন
পাবনা