
প্রকাশিত,০৬, জানুয়ারি,২০২২
শেরপুর নকলা প্রতিনিধি: খন্দকার জসিম উদ্দিন ।
একাত্তরে রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার এখন জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
জরাজীর্ণ একটি টিনের ঘরে মানবেতর জীবন যাপন করছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। সরকারের কাছ থেকে একটি ঘর পাওয়ার জন্য বুক ভরা আশা নিয়ে অপেক্ষায় আছে।
প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দিন ১৯৭১ রণাঙ্গনে একজন চৌকষ মুক্তিযোদ্ধা হিসাবেও পরিচিত ছিলেন।
যুদ্ধপরবর্তী সময়ে পরিবার নিয়ে শেরপুর জেলার নকলা উপজেলায় ২ নং নকলা ইউনিয়নে দক্ষিন নকলা গ্রামে নিজ পৈতৃক বাড়িতেই অবস্থান করেছেন ।
মুক্তিযোদ্ধা কল্যান ট্রাষ্ট নং ১৫৭০০, গেজেট নং ৮৩৮,মুক্তি বার্তা নং ০১১৪০৩০১৩২ মুক্তি যুদ্ধোর নম্বর ০১৮৯০০০০৪৯১
আজ থেকে ৭ বছর পূর্বে স্ত্রী রাবেয়া খাতুন এবং চার মেয়ে সন্তান রেখে মৃত্যুবরন করেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দিন।
এরপর থেকেই অভাব-অনটনে দিন কাটে পরিবারটির।
অর্থের অভাবে মেয়েদেরকে লেখাপড়া করতে পারেন নাই বিধায়, সরকারি চাকরি থেকে বঞ্চিত।
মৃত্যুর পূর্বে মোসলেম উদ্দিন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। স্ত্রী রাবেয়া বেগম স্বামীর ব্যায় বহুল চিকিৎসা করাতে গিয়ে জমি জমা বিক্রি করে চিকিৎসার খরচ মিটাতে গিয়ে সর্বশান্ত হয়ে পড়েন।পরিশেষে হাত ঋণ করে চিকিৎসা করান। তারপরও শেষ রক্ষা হয় নাই। অবশেষে চার মেয়ে সন্তানকে এতিম করে না ফেরার দেশে চলে যান।
বর্তমানে রাবেয়া বেগম বার্ধক্য জনিত কারনে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
সরকারি ভাতা যা পান স্বামীর চিকিৎসা বাবদ যে লোন করেছিলেন তা কিছু কিছু করে পরিশোধ করছেন। বাকি যা থাকে নিজের চিকিৎসা এবং খাওয়া দাওয়া বাবদ খরচ হয়ে যায়।
জোড়াতালি দেওয়াএকটা দু চালা টিনের ঘর, চারপাশে নোংরা, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ। বৃষ্টি হলে থাকায় সেই ঘরের টিনের চালার ছিদ্র দিয়ে পড়ছে বৃষ্টির পানি পড়ে ।
মুক্তিযোদ্ধা স্ত্রী রাবেয়া বেগম আরও জানান, বর্ষাকালে সমস্যা বেশি হয় ফলে ব্যাঙ, সাপসহ পোকা-মাকড়ের ভয় থাকে।


