
প্রকাশিত,৩১, আগস্ট,২০২১
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
বিভিন্ন গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর আজমিরীগঞ্জে বিভিন্ন ইউনিয়নে অবৈধ বালু উত্তোলন কারীদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। গত রবিবার সকাল থেকে এই অভিযান শুরু করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) শফিকুল ইসলাম।
জানাযায়,
সম্প্রতি আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্হানে একাধিক বালু খেকো চক্র সক্রিয় হয়ে উঠে। বিভিন্ন স্হানে প্রতিদিন দিনে এবং রাতে বড় ড্রেজার ও শ্যালো মেশিনের মাধ্যমে কুশিয়ারার কালনী নদী ও বিভিন্ন সরকারী খাস ভুমি ও জলাশয় থেকে হাজার হাজার ঘনফুট বালু উত্তোলন শুরু করে। এই সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
এরই প্রেক্ষিতে গতকাল রবিবার দুপুরে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) শফিকুল ইসলাম জলসুখা ইউনিয়নের নোয়াগড় গ্রামে অভিযান পরিচালনা করেন। কিন্তু নোয়াগড়ে গিয়ে কয়েক সপ্তাহ আগে বালু উত্তোলনের আলামত পাওয়া যায়। যার প্রেক্ষিতে এলাকাবাসীকে ভবিষ্যতে এধরনের অবৈধ বালু উত্তোলন না করার জন্য সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়।
একইদিন রাত সাড়ে আটটা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত উপজেলার শিবপাশা ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) শফিকুল ইসলাম। এ সময় অভিযানের খবর পেয়ে শেলো ড্রেজার মেশিন চালকরা পালিয়ে যায়।
এসময় গ্রামবাসীকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন না করার জন্য সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়।
অভিযান পরিচালনা কালে আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলামের নেতৃত্ব পুলিশের একটি দল সার্বিক সহযোগীতা প্রদান করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার সকালে আজমিরীগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ নুরুল ইসলাম বদলপুর ইউনিয়নের পাহাড়পুরে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন।
এ বিষয়ে আজমিরীগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ নুরুল ইসলাম জানান, আমি পাহাড়পুর গিয়ে সরজমিনে দেখে এসেছি৷ সেখানে আজমিরীগঞ্জের বাহিরে থেকে নৌকা বোঝাই করে এনে পাহাড়পুরে আনলোড করা হচ্ছে। তারপরও বিট অফিসারকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে যাতে কেউ অবৈধভাবে বালু উত্তোলন না করতে পারে।
এ বিষয়ে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) শফিকুল ইসলাম জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।


