
মোঃ বাবুল নেত্রকোণা থেকেঃ
নেত্রকোণা জেলার ছাত্রলীগের ত্যাগি সাবেক ছাত্রনেতা একেএম আজহারুল ইসলাম অরুন।
অরুন একটি নাম তথা দুঃখী মানুষের এক জ্বলন্ত প্রদীপ। যিনি গত বছর করোনাকালীন সময় ধরে খেটে খাওয়া, গরীব অসহায়দের পাশে থেকে খাদ্য-অর্থ দিয়ে সহযোগীতা করে আসছে। এখনো তিনি এই ত্রাণসামগ্রী অব্যাহত রেখেছেন। এমনকি গরীব অসহায় পরিবারের মেয়ের বিয়ের সাহায্য এবং ঘর নির্মান করার মতোও নজির রয়েছে। একেএম আজহারুল ইসলাম অরুনের এই আত্মমানবতা ও অসহায়দের পাশে থাকা কি তার ভুল…? এমন প্রশ্ন অনেকেরেই কারণ গত কয়েকদিন আগে দৈনিক বর্তমান কথা পত্রিকায় রহস্যজনক ভাবে একেএম আজহারুল ইসলাম অরুনের বিরুদ্ধে ভুল তথ্য অনুযাত্রিক ভাবেই হেয় করার উদ্যেশে মিথ্যা বানোয়াট খবর প্রচার হয়। যা কিনা শুধু নেত্রকোণায় নয় ১০টি উপজেলায় আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে।
এ বিষয়ে মাহাবুব ইসলাম ফারাস,মো: মাসুম, রাফি সহ একাধিক ব্যক্তি পত্রিকায় নিউজের ব্যাপারে তীব্র প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানায়। অনেকের দাবী অরুন একজন সদা-সাদা-মাটা-ভদ্র এবং স্বাধীনতার পক্ষের বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান তার ব্যাপারে ভুল তথ্য দিয়ে খবর প্রচার করা একদমেই ঠিক হয়নি। আরো জানান রাজনৈতিক প্রতিযোগীতা থাকা ভাল তবে একজনের সম্মান নিয়ে প্রতিহিংসা ভাল না।
গত কয়েকদিন আগে পত্রিকায় আজহারুল ইসলাম অরুনের বিরুদ্ধে নিউজ হওয়ার প্রতিক্রিয়া জানতে একেএম আজহারুল ইসলাম অরুন জাতীয় দেশ-সময় কে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রাজনীতির প্রতিহিংসার ষড়যন্ত্র। আমাকে যেহেতু দমাতে পারে না তাই সাংবাদিক কে ভুল তথ্য দিয়ে একটা বিশেষ চক্র এই নোংরা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।তিনি আরো জানান, আমার শরীরে মুক্তিযোদ্ধার রক্ত স্বাধীনতার পক্ষের রক্ত এই রক্ত প্রবাহমান কারো কাছে নত হতে শিখায় না।
জননেত্রী শেখ হাসিনার ছবি ব্যাংঙ করে জেলে গিয়েছিলেন কেন….? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আমার ফেসবুক আইডি হ্যাক করা হয়েছিল। পরে প্রশাসন খতিয়ে দেখে আমাকে মুক্ত করা হয়। এটাও আমার বিরুদ্ধে কঠোর ষড়যন্ত্র। নেত্রকোণা জেলায় আধিপত্য বিস্তার, টেন্ডার বাজী বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদক কে বলেন আপনারা সাংবাদিক আপনার অনুসন্ধানী করুণ কেউ বা কোন প্রতিস্টান বা জেলার সম্মানিত ঠিকাদারগণ যদি বলতে পারে আমি অরুন টেন্ডারবাজী এবং আধিপত্য বিস্তার লাভ করি তাহলে আমি অরুন স্বেচ্ছায় প্রশাসনের কাছে অপরাধ স্বীকার করে অপরাধের শাস্তিভোগ করবো।


