print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,২৯, জুন,২০২১

মনির হোসেন শাওনঃ

২৯ শে জুন(মঙ্গলবার) রাজধানী ঢাকা সহ সারা দেশে সীমিত পরিসরে কার্যকর রয়েছে লকডাউন। প্রথমত সোমবার থেকে সারা দেশে কঠোরতম লকডাউন তথা শাটডাউনের ঘোষণা দিলে ও পরবর্তিতে সীমিত পরিসরে চালু রেখেছেন লকডাউন।
এই পরিস্থিতিতে অফিস,আদালত চালু থাকায় যানবাহনের সংকটে রাজধানীর প্রত্যেকটি এলাকাবাসী।
প্রয়োজনের তাগিদে যেতে হয় হাসপাতাল, আদালত,বে-সরকারি ও সরকারি অফিসে। সরকারি ও গোটা কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের স্টাফ বাস চালু থাকলে ও যথার্থ চাহিদা মেটাতে সক্ষম নয়।
অপরদিকে খেটে খাওয়া মানুষদের অবস্থা শোচনীয়। সিএনজি,মটর সাইকেল রাইড শেয়ার,অটো রিকশা, মিনি বাস চালকদের আর্থিক চাহিদার তুলনায় নেই তাদের পর্যাপ্ত খাবার ও আনুষাঙ্গিক খরচ।
এই বিষয়ে দেশ সময় একজন মটর সাইকেল রাইডারের কাছে চলমান পরিস্থিতিতে তাদের অবস্থা জানতে চাইলে তিনি বলেন-বর্তমান সরকার খেটে খাওয়া মানুষদের দুঃখ বুঝেনা সরকার । করোনায় চাকরি চলে যাওয়াতে সারাদিন রাইড শেয়ারিং করে সংসার চালাই।তা ও এখন সম্ভব হচ্ছে না,পুলিশ ধরলেই মামলা দেয়।

চলমান পরিস্থিতিতে সিএনজি চালনায় বিধিনিষেধ থাকলে ও রাস্তায় চলতে দেখা গিয়েছে সিএনজি।সিএনজি চালককে চলমান লাকডাউনে তাদের অবস্থা জানতে চাইলে তিনি দেশ সময় কে বলেন- আমরা করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মরার আগে,ভাতের জন্য মরবো।
বউ, বাচ্চা,সংসার নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছি।
রাজধানীর গাবতলীতে দেখা গিয়েছে যাত্রীদের ভীড়।কয়েকজনের সাথে কথা হয় দেশ সময়ের,এদের মাঝে রফিক নামের নামের একজনের সাথে কথা হয়।তিনি দেশসময়কে বলেন এখানে দাঁড়িয়ে আছি ৪৫ মিনিট ধরে,কোনো গাড়ি চলাচল না করাতে রিকশা ও মটর সাইকেলে ভাড়া চায় দ্বীগুন।সময় মতো কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারি না।
ডিউটিরত একজন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে কথা হয় দেশ সময়ের।তিনি দেশ সময় কে বলেন,করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের দেওয়া দ্বায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করছেন।
তবে রিকশা চালকদের তেমন কোনো অভিযোগ পাওয়া যাইনি।