
প্রকাশিত,০৩, জুন,২০২১
এসএম রুবেল, চাঁপাইনবাবগঞ্জঃ
করোনাকালীন ভয়াবহ অবস্থা যখন সাধারন জনগনের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে ঠিক তখনও থেমে নেই এনজিও কর্মীদের কিস্তি আদায়।সাম্প্রতিক করোনা পরিস্থিতি অবনতি বলে দফায় দফায় লকডাউন দিচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় এতে করে এ জেলার মানুষ হাত-পা গুটিয়ে অনেকটাই অবসরে দিন কাটাচ্ছে।শুধু তাই নয় দৈনন্দিন খেটেখাওয়া শ্রমিক দিনমজুর থেকে শুরু করে নিম্নআয়ের মানুষ অসহায়ে বেকার হয়ে হাত গুটিয়ে ঘুরেফিরে বাড়িতেই।
এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দ্বিতীয় দফায় আবারও বিশেষ কঠোর লকডাউন দিয়েছে স্থানীয় জনপ্রশাসন।এতে করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রাজমিস্ত্রি সহ দৈনন্দিন শ্রমিক কর্মীরা এ জেলার বাইরে যেতে নিষেধাজ্ঞা থাকায় হাত-পা গুটিয়ে বাড়িতে বসে থাকা ছাড়া যেন নেই উপায়। এমন চরম সংকটাপন্ন অবস্থায় গ্রাহকের দ্বারে দ্বারে কিস্তি আদায়ে মরিয়া যেন এনজিওকর্মীরা।
যেখানে করোনার ভয়াবহ মরন থাবায় মানুষ জর্জরিত এবং লকডাউন থাকা অবস্থায় অপ্রয়োজনীয় দোকানপাট সহ অবসরের দিন কাটাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দিনমজুররা।এমন দুঃসময়ে যেন হানা দিচ্ছে কিস্তি আদায়ে এনজিও কর্মীরা।এতে করে চরম বিপাকে পড়েছে গ্রাহকরা।
এদিকে এনজিও কর্মীরা তাদের প্রতিষ্ঠানের নামের ব্যাগ পাস বইসহ পরিচয় জনসম্মুখে গোপন রেখেই গ্রাহক পর্যায়ে ছুটছে যেন কিস্তি আদায়ে।তবে সাধারন ও লোকাল এনজিও ব্যবস্থাপকদের সাথে কথা বললে তারা জানায় করোনার অসময়ে ঋণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।তাছাড়া এনজিও প্রতিষ্ঠানগুলো তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়,তবে মাঠ পর্যায়ে এনজিও কর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।
এদিকে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব গ্রাম উন্নয়নের কাজটি সম্পূর্ণ ছেড়ে দেই সেবামূলক এনজিও প্রতিষ্ঠানদের হাতে।তবে প্রকৃতপক্ষে গ্রামন্নয়নের তেমন লক্ষ করা যায় না। তাছাড়া চলমান করোনা প্রাদুর্ভাবে এগিয়ে আসেনি সকল সেবামূলক এনজিও প্রতিষ্ঠানগুলো।এবং করোনাকালীন সময়ে তেমনও চোখে পড়েনি হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাক্স বিতরণ সহ স্বাস্থ্যবিধির কোন লিফলেট প্রচার ব্যবস্থায়।এনজিও প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণ জনগণকে বিপদে ফেলে গলায় আকুর বাঁধিয়ে দিয়ে মহামারী বিপদের মধ্যেও থামছে না তবুও এদের কিস্তি আদায়।


