print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,৫মে,২০২১

খুলনা জেলা প্রতিনিধি ঃ

বন্ধকৃত রাষ্ট্রায়ত্ব ইষ্টার্ণ ও আলিম জুট মিলের প্রায় তিনশ শ্রমিকের বকেয়া পাওনা পরিশোধসহ ৮দফার দাবীর বিষয়ে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায় শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি’র সাথে বৈঠক করেছে খানজাহান আলী থানা জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ। গত বছরের ১লা জুলাই সরকারি ঘোষনায় দেশের রাষ্ট্রায়ত্ব ২৫টি জুট মিলের উৎপাদন বন্ধ করে দুই মাসের মধ্যে সকল শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করে মিল গুলোকে আধুনিকায়ন করে নতুন রুপে চালানোর ঘোষনা দেওয়া হয়। সরকারি ঘোষনা অনুযায়ী খুলনার রাষ্ট্রায়ত্ব ইষ্ট্রার্ণ ও আলিম জুট মিলের শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ করা শুরু করা হয়। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাগেছে, ইষ্ট্রার্ণ ও আলিম জুট মিলের প্রায় তিনশ অবসর ও অবসায়নকৃত শ্রমিকের পাওনা পরিশোধে কাগজপত্রের নামের কিছু ত্রুটি এবং মামলা থাকার কারণে তাদের বকেয়া পাওনা পরিশোধে অন্তরায় হয়ে দাড়ায়। এ সকল শ্রমিক পরিবার গুলো করোনাকালীন সময়ে মানবেতর জীবন যাপন করায় খানজাহান আলী থানা জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন দুটি মিলের প্রায় ৩শ শ্রমিকের বকেয়া পাওনা পরিধোধে সংবাদ সম্মেলন করে আন্দোলন কর্মসুচি ঘোষনা করে।

খানজাহান আলী থানা জাথীয় শ্রমিক ফেডারেশনের আহবায়ক মোঃ আমিরুল সরদার জানায়, ইষ্ট্রার্ণ জুট মিলের অবসার ও অবসায়নকারী ১৩৯জন এবং আলিম জুট মিলের অবসরকৃত ১২৯জন ও অবসায়নকৃত ৪২জন শ্রমিকের এখন কোন পাওনা তারা পায়নি। তিনি বলেন মন্ত্রী মহোদয়কে বন্ধকৃত রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল উন্নত প্রযুক্তি দ্বারা আধুনিকায়ন করে পুনরায় চালু, বদলী শ্রমিকদের এরিয়াসহ সকল বকেয়া পাওনা পরিশোধ, স্থায়ী ও বদলী শ্রমিকদের সকল বকেয়া মজুরী পরিশোধ, শ্রমিকদের মামলা প্রত্যাহার, যে সকল শ্রমিকদের নামের ভুল আছে তাদের ভুল সংশোধন করে পাওনা পরিশোধ, সকল স্থায়ী শ্রমিকদের বকেয়া শিক্ষা সহায়ক ভাতা পরিশোধ, উৎপাদন ভিত্ত্বিক শ্রমিকদের গড় মজুরী হিসাবে গ্রাচুটির অর্থ প্রদান, অবসার ও অবসায়নকৃত সকল শ্রমিক কর্মচারীদের অডিট আপত্তি প্রত্যাহার করে অবিলম্বে তাদের পাওনা পরিশোধের ৮দফার দাবীর বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। মন্ত্রী মহোদয় ধেযর্য সহকারে আমাদের কথা শোনেন এবং তিনি আশ্বস্থ করে বলেন ঈদের পূর্বে এ সকল শ্রমিকদের সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের যুগ্ন আহবায়ক শেখ তবিবুর রহমান, সদস্য সচিব শেখ খান আঃ রাজ্জাক(বাবলু), সদস্য মোঃ জাকির হোসেন সরদার, প্রায় ২৫/৩০জন শ্রমিক প্রতিনিধি।