
প্রকাশিত, ১৭ মার্চ, ২০২১
শম্ভু সাহা, পটুয়াখালী প্রতিনিধি।
যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে ১৭ মার্চ বুধবার বিকেল সাড়ে চারটায় সর্ব সাধারনের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে, ঐতিহাসিক এ বালুর ভাস্কর্য । সাগরকণ্যা খ্যাত অপরূপ সৌন্দর্যের লিলাভূমি, একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটার বালিয়াড়িতে প্রায় ৪০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফুট প্রশস্ত বালুর ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয়েছে।
খুলনা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের ৬জন শিক্ষার্থী নিখুঁত হাতে নিপুণ ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন বাংলাদেশের মানচিত্র। মানচিত্রের ঠিক মাঝখানে জাতির পিতার বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের আকৃতি। এক পাশে ভাষা আন্দোলনের মিছিল। অন্য পাশে ৬ দফা দাবি। স্বাধীনতা দিবসের বিজয় উল্লাসের স্মৃতিসহ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের প্রেক্ষাপট। আর ভাস্কর্যের উপরে ও নিচে বালু দিয়ে লেখা হয়েছে, আমার সোনার বাংলা। জয় বাংলা। রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি। আমার মায়ের ভাষা, রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। সমুদ্র সৈকতে নির্মিত বালুর ভাস্কর্যটি দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দাসহ কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা দেশী-বিদেশী পর্যটকরা। এটি ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পর্যন্ত পর্যটকসহ স্থানীয় দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে। পটুয়াখালী জেলা পুলিশের উদ্যোগে এ ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়।
ভাস্কর্য উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ শফিকুল ইসলাম, বিপিএম (বার), পিপিএম, ডিআইজি, বাংলাদেশ পুলিশ বরিশাল রেঞ্জ, বরিশাল। এ অনুণ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, পিপিএম, পুলিশ সুপার, পটুয়াখালী;
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলরবৃন্দ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষকমণ্ডলী সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।


