
প্রকাশিত, ২৫-১১-২০২০
সোহাগ হোসেন বেনাপোল প্রতিনিধি ঃ
যশোরর শার্শা উপজেলায় নতুন এক বাহিনীর আবির্ভাব হয়েছে।গুপ্ত বাহিনী কখনো পুলিশ, বিজিবি, ডিবি পুলিশের পোশাক পরে অবৈধ চোরাচালানের মালামাল আটক করে নিজেরা ভোগ করছে এমন অভিযোগ উঠেছে।এই বাহিনীর সদস্য সংখ্যা প্রথমিক ভাবে জানা গেছে৮/১০ জন।
গত ১বছরে স্বর্ণ, ফেন্সিডিল, মদ, ঝুট ইলিশ মাছ, সহ চোরাই পথে ভারতে থেকে আনা নেওয়া মালামাল লোকচক্ষুর আড়ালে রাতে দিনে মেরে নিচ্ছে।
এ বাহিনীর সাবেক এক সদস্য নাম না প্রকাশ করার শর্তে তিনি জানান কিছু দিন আগে রুদ্রপুর বিলপাড়া মাঠ থেকে ৪০০ বোতল ফেন্সিডিল, ভবানীপুর ইছাপুর সাতাই আমলাই মাঠ থেকে ৬০০ ফেন্সিডিল এবং ৫০,১০০,২০০বোতল ফেন্সিডিল বহুবারই মেরে নিয়েছে, সনাতন কাঠি থেকে সেতাই এর মাঝ থেকে ৬লক্ষ৭০হাজার টাকার ঝুট র্যাব পরিচয়ে মেরেছে।শুধু তাই না বাহিনী যশোর কেশবপুর সড়কের রাজার হাঠ থেকে ৫ মাস পূর্বে পাঁচকোটি ৮০লক্ষ টাকার স্বর্ণ পুলিশ পরিচয়ে মেরেছে। সেই টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মারামারি হয়,বলে সর্বাঙ্গ বিষয় একান্ত পরিচয় গোপন শর্তে এ পতিবেদকে জানায়।
উল্লেখ্য সর্ব শেষ ২৯শে অক্টোবর সেতাই মাঝের পাড়ায় মনিরের বাড়ির পেছন থেকে রাত১টার সময় বিজিবি পরিচয়ে ৬০০ বোতল ফেন্সিডিল মেরে নেয় এই বাহিনী।এই মাদকের চালান গুপ্ত বাহিনীর এক সদস্যর আত্নীয়ের মাল হওয়ায় বাহিনীর সব সদস্য মিলে বৈঠকে বসে মাল ফেরত দিবে বলে নিশ্চিত করে।তাদের এ মাল বিজিবির আটকের পরিচয় ফাঁস হলে তারা পাশের বাড়ির এক যুবককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গোপন আস্তানায় বেধড়ক মারপিট করে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয় বলে অভিযোগও উঠে ছিলো।
এবিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বদরুল আলম জানান,আমাদের কাছে এমন কোন তথ্য বা অভিযোগ পাই নাই।যদি কেও এ সমস্থ কার্যক্রম করে থাকে তদন্ত করে আইনগত ব্যাবস্থা নেয়া হবে।


