
প্রকাশিত,২৭, জুলাই,২০২৩
সাইদুল মোল্লা, মুরাদনগর (কুমিল্লা)ঃ
গুগুল প্লেস্টোরে প্রবেশ করে “মুরাদনগর উপজেলা” লিখে সার্চ দিলেই চলে আসবে অ্যাপস। যেখানে মিলবে যাবতীয় জরুরী তথ্য ও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর, হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স সহ সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর ফোন নম্বর।
নাগরিকের হাতের মুঠোয় থাকবে সেবা। লিনিয়ার কাঠামোতে সাজানো অ্যাপসটি তৈরীকারী শিক্ষার্থী বিজ্ঞান বিভাগের নয়, অধ্যয়নরত আছে একাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগে। বলছিলাম কুমিল্লার মুরাদনগরের উপজেলা ভিত্তিক প্রথম অ্যাপস নির্মাতা ক্ষুদে শিক্ষার্থী ইয়ামিনের কথা।
ইয়ামিনের তৈরী অন্য দুইটি অ্যাপস হলো “মায়া ফার্মেসী” যেটায় সাহায্য মানুষরা পাচ্ছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল সেবা। উপজেলায় কলেজ ভিত্তিক প্রথম অ্যাপস “কেএনএডিসি” যার সাহায্যে শিক্ষার্থীদের হাতের মুঠোয় চলে আসছে নোটিশ ও সকল জরুরী তথ্যাদি।
ক্ষুদে প্রোগ্রামার ইয়ামিনের অ্যাপসের প্রতি আগ্রহের বিষয়টি নজরে পড়ে শিক্ষার্থীবান্ধব উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ড. আহসানুল আলম সরকার কিশোরের। শুভেচ্ছা জানাতে ক্ষুদে প্রোগ্রামার ইয়ামিনকে গতকাল বুধবার ডেকে নিয়েছিলেন তার অফিসে। আশ্বাস দিয়েছেন প্রোগ্রামিং বিষয়ক কাজে তাকে ভবিষ্যত গড়তে করবেন সর্বাত্মক সহযোগীতা। “মুরাদনগর উপজেলা” নামক অ্যাপসটির প্রসারে ও জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে বৃহৎ পরিসরে কাজ করার জন্য বলেছেন তিনি।
পূর্বেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সহায়ক উদ্যোগের জন্য জনপ্রিয় হয়েছেন তিনি। বিজ্ঞানমনস্ক ব্যক্তিত্ব হিসেবে শিক্ষার্থীদের যেকোনো উদ্ভাবনী মেধা বিকাশে করে যাচ্ছেন নিরলস সহায়তা। তারই ধারাবাহিকতায় ইয়ামিনের প্রতি তার শুভেচ্ছা উপজেলার অন্যসকল আগ্রহী শিক্ষার্থীদের প্রবলভাবে উৎসাহিত করবে তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের পথে। এছাড়াও উপজেলায় রোবটিক্স বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে আগ্রহ থাকলে তাদের গবেষণা বিষয়ক সহায়তার জন্য তিনি তৈরী।
ক্ষুদে শিক্ষার্থী ইয়ামিন বলেন, “আমি চেয়ারম্যান মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞ, আমাকে ডেকে ভরসা প্রদান করেছেন তিনি। আশা করি ভবিষ্যতে আরো সুন্দর অ্যাপস তৈরী করে দেশের সেবা আত্মনিয়োগ করতে সক্ষম হবো।”

