
প্রকাশিত,৩০, ডিসেম্বর,২০২২
দক্ষিণ চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ-
চট্টগ্রামের
পটিয়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর আল মনছুর জুয়েল এর বাড়ীর পাশ্বের পুকুরটি দীর্ঘদিন যাবত বরকত উল্লাহ বাড়ীর লোকজন ব্যাবহার করে আসছিল। কিন্তু জনৈক সাহাবুউদ্দি ও গোলাম হোসেন গং প্রভাব দেখিয়ে জলধারা আইন রঙ্গন করে
পুকুরটি অনন্য মালিকগনকে না জানিয়ে আর্বজনা ফেলে ব্যাবহারের অনুপযোগী করে গোপনে রাতের অন্ধকারে ভরাট করছেন বলে এলাকার লোকজন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে প্রতিকার প্রার্থনা করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। এছাড়াও অভিযোগ উঠে উক্ত এলাকার পাড়া প্রতিবেশিরা পানীয় জ্বলের সংকটে রয়েছে। বর্তমানে পানীর জন্য পাড়া প্রতিবেশি অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগী সুএে জানা যায়। এ বিষয়ে বাড়ীর বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরারবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিকুল মামুন বিষয়টি তদন্তের জন্য সহকারী কমিশনার ভুমি (পটিয়া) সরেজমিনে পরিদর্শন করে তদন্ত করে দেখতে পায় উক্ত পুকুরটি গাড়ীতে করে বালি ও মাটি দিয়ে ভরাট করছে।
বিষয়টি ভুমি কর্মকর্তা পুকুর ভরাটকারীদের বিরুদ্ধে
আইনগত পদক্ষেপ নিতে উপজেলা নির্বাহী বরাবরে
রির্পোট প্রদান করেন।পুকুর জলাশয় ভরাট করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ হলেও সাইফুদ্দিন গং গায়ের জোর ও অর্থের জোরে পুকুরটিতে মাটি ভরাট করছেন। ঐ পুকুরে পটিয়া পৌরসভার রিটার্নিং ওয়াল দেয়া রয়েছে। এতে পুকুর ভরাট করতে পৌরসভার কোন অনুমতি নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে প্রসাশনের হস্তেক্ষপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল মামুন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পুকুর ভরাট করা আইনত অপরাধ প্রাথমিকভাবে মৌখিক এবং লিখিতভাবে তাদেরকে জানিয়েছি।
এরপর ও যদি পুকুর ভরাট করে তাহলে তাদের আইনের মাধ্যমে জেল জরিমানা করা হবে।
সেলিম চৌধুরী
পটিয়া চট্টগ্রাম


