print news || Dailydeshsomoy

নিজের যোগ্যতায় বড় হও
অন্যের ভরসায় নয়-শাহ্ কামাল

বন্দর প্রতিনিধি:– যোগ্যতা কি করে হয় তা প্রতিটি মানুষেরই জানতে অনেকটা সময় লাগে। এমনকি যোগ্যতার মাপকাটিতে পৌছাতে হলে তাকে ধাপে ধাপে অগ্রসর হতে হয়। হুট করেই কোন কাজের সফলতা অর্জন করা যায় না। তার জন্য করতে হয় জ্ঞ্যানের তপস্যা। তাইতো সবার প্রিয় শাহ্ কামাল হুসাইন স্যার একাডেমিক পড়াশোনা শেষ করে প্রথম শ্রেণি নিয়ে বিএড শেষ করেন। চার পয়েন্টের মধ্যে ৩.৯৮ পেয়ে মাস্টার্স কমপ্লিট । পাশাপাশি পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন গেলো বেশ কয়েক বছর। এসএসসি পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ গোপন কিছু কাজের দায়িত্ব নিয়ে কয়েক বছর ঢাকা বোর্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। ২০০৫ খ্রিস্টাব্দ হতে ২০১০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত কতগুলো সরকারি বেসরকারি প্রশিক্ষন নিয়েছেন তার কোন শুমার নেই। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নামে যে বইটা এখনো বিভিন্ন শ্রেণিতে পাঠ্য তার প্রাথমিক ওয়ার্কশপে এনসিটিবির সাথে জড়িত ছিলেন। সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতির মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে কাজ করেছেন নিজ জেলাসহ সাতটি জেলায়। ২০১৩খ্রিস্টাব্দ হতে যে শিক্ষাক্রম চলছে সেখানে এনসিটিবির তালিকাভুক্ত মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে তিনটি জেলায় কাজ করেছেন । ২টি জেলায় প্রশ্নপত্র প্রণয়নের দায়িত্ব পালন করেছেন । সেকায়েপের অধীনে স্কুলগুলোর অনলাইন তথ্য সংগ্রহের কাজ করতে পেরেছেন গত দুই বছর। এমনকি বন্দর উপজেলার শিক্ষকদের ডাটা সংগ্রহ ও সাবমিটের কাজ করেছেন। পরে সমাপ্ত করেছেন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রণীত ১৯৬১ ও ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯, ১৯৮৩, ১৯৮৯, ১৯৯১, ১৯৯৫, ১৯৯৭ হতে ২০২১ পর্যন্ত বিধিবিধান নীতিমালা ইত্যাদি। ম্যানেজিং কমিটির প্রবিধান হতে শুরু করে কোন কিছুই বাদ যায়নি চর্চা হতে। ২০০৭ এবং ২০১৫ সালে একটি প্রতিষ্ঠানের আগাগোড়া মন্ত্রণালয়ের অডিটের সম্পূর্ণ কাজ নিজে সম্পন্ন করেছেন যেখানে বোদ্ধা ব্যক্তিগণ ভুল খোঁজার সুযোগ পাননি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন কোন অনলাইন প্লাটফর্মের কাজ নেই যা আল্লাহপাক কামাল স্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন করেননি। মাইক্রোসফটের প্রশিক্ষণও তার ঝুলিতে আছে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রশিক্ষণ শাহ্ কামাল হুসাইন স্যারের অফারে ছিলো আরো একযুগ আগে। তবে সুবিধাজনক সময়ে ছিলো না । মাধ্যমিক পর্যায়ের যে কোন বিষয় সম্পর্কে জিগ্যেস করলে তিনি ঘন্টার পর ঘন্টা বই ছাড়াই আলেচনা করতে পারেন। পারে কি আর না পারে সাতটি কবিতা তিনি অনায়াসেই মুখস্থ বলতে পারেন । গল্প আর উপন্যাসের বই লেখার সৌভাগ্য তার হয়েছে। মোটিভেশনাল সহ তিনটি বই লেখার কাজ চলমান। দেশী বিদেশী বহু আইটেমের রান্না করতে পারেন । শাহ্ কামাল হুসাইন স্যার আরো বলেন, আর কী কী যোগ্যতা থাকলে নিজেকে যোগ্য ভাবা যায় তা আমার জানা নেই। তবে শিক্ষক হবার যথেষ্ঠ কম গুণাবলী আমার সেটা আমি জানি। ২৮ বছর ধরে নিজস্ব তত্ত্বাবধানের হাজার হাজার শিক্ষার্থী পড়ালাম। প্রতিযোগিতামূলক কোন প্রশিক্ষণে ১ম স্থান অধিকার করতে পারিনি এমন কোন নজির নেই আমার। প্রমিত বাংলা উচ্চারণের প্রশিক্ষণ নিয়েছি কণ্ঠশীলন হতে। আমার আর কোন যোগ্যতার দরকার নেই। দেখে দেখে অভিজ্ঞদের থেকে শিখে যদি কোন দিন যোগ্য হতে পারি সেদিন বলবো, আমার যোগ্যতা আছে। পা চাটা আমি পছন্দ করি না। ওসব গোলামী আমার দ্বারা সম্ভব নয়। যদি ওসব করে চলতে হয় সার্টিফিকেট ছিড়ে ফেলে ব্যবসায় নামবো। আল্লাহপাক সেদিকেও ইনশাআল্লাহ আমায় সফল করবেন। তাইতো তিনি বলেন নিজের যোগ্যতায় বড় হও অন্যের ভরসায় নয়।