
প্রকাশিত, ২৫-১২-২০২০
এম এইচ লিপু মজুমদার ধর্মপাশা প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার বংশীকুণ্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামে ওই ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদের নেতৃত্বে ৩০-৩৫জন মিলে ওই গ্রামের ৭/৮টি বসত বাড়িতে হামলা,ভাঙচুর, মারধর ও নারী নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদে ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৪ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বংশীকুণ্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের সামনের সড়কে গ্রামবাসী এই মানববন্ধনের আয়োজন করে। এতে জয়পুর গ্রামের শতাধিক নারী পুরুষ অংশ নেয়। এই মানবন্ধনে বক্তব্য দেন বংশীকুণ্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা মজিবুর রহমানের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন , একই গ্রামের গৃহিনী নাসিমা আক্তার, ভুক্তভোগী সাইদুর রহমান, স্থানীয় বাসিন্দা মুনসুর আহমেদ, রবিউস সানি, সাগর আহমেদ, আজিদ মিয়া প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, আমাদের ইউপি চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাঁর ৩০/৩৫জন সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক নিয়ে গত ২০ডিসেম্বর রাত দেড়টার দিকে আমাদের ইউনিয়নের জননন্দিত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান প্রয়াত আকরাম হোসেনের বসতঘর সহ জয়পুর গ্রামের ৬/৭টি বসতঘর ভাঙচুর করেছে। এ সময় চেয়ারম্যান আজিমের লোকজন প্রয়াত আকরাম হোসেনের ছোট ভাই মজিবৃর রহমান ও সাইদুর রহমানের বসত ঘর থেকে জোরপূর্বক ওই দুচনকে ধরে নিয়ে গ্রামের সামনের একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেছে। এ ছাড়া তাদের স্ত্রী সন্তানরা এসবের প্রতিবাদ করায় তাদেরকেও মারধরকরাসহ নানা ভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।
তাঁরা আরও বলেন, এ নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও পুলিশ মামলা নেয়নি।আমরা এ ঘটনায় চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদ ও তাঁর গুণ্ডাবাহিনীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
বংশীকুণ্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজিম মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, আমি ও আমার লোকজনদের এতে কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগুলো সঠিক নয়। এলাকায় আমার নষ্ট করার জন্য একটি অসাধু মহল নানা ভাবে অপেচষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
মধ্যনগর থানার ওসি (তদন্ত) নব গোপাল দাশ বলেন, হামলা,মারধর,ভাংচুর ও নারী নির্যাতন ঘটনার কোনো অভিযোগ আমি পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#


