
প্রকাশিত,১৬,মে,২০২১
তপন দাস
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ঃ
ঈদ মানে আনন্দ আর ঈদ মানেই বন্ধু বান্ধব ও মা বাবার সাথে দেশের নামি দামী পর্যটনকেন্দ্র ঘুরে আসা বা সুনাম ধন্য কোন রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়া ।
তাই মরণব্যাধী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ উপেক্ষা করে ঈদের তৃতীয় দিনেও দর্শনার্থীদের পদচারণায় পরিপূর্ণ নীলফামারীর পর্যটন কেন্দ্র গুলো।
আজ রবিবার সকাল থেকে নীলফামারীর নীলসাগর, নীলকুঠি, সৈয়দপুরের রংধনু, থিমপার্ক, পাতাকুড়ি , ও ডিমলার তিস্তা ব্যারেজ সহবিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায় প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্রেই মানুষের উপচে ভীর ।
কোন লোকেই মানছে মরণব্যাধী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের স্বাস্থ্য বিধী , কারো মুখে নেই কোন মাস্ক মানছে না কোন সামাজিক দুরুত্ব।
ডিমলার তিস্তা ব্যারেজ এ ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা কয়েকজনের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান তারা সরকারের নির্দেশ মোতাবেক সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে এ তিস্তা ঘুতে এসেছে।
মুখে মাস্ক না থাকা কিছু লোকের সাথে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তারা সাংবাদিক দের সাথে কথা বলতে রাজি হয়নি।
এদিকে সরকারের নির্দেশ না মেনে সৈয়দপুরের রংধনু পার্ক চালানোর জন্য রংধনুর ব্যবস্হাপনা পরিচালকের সাথে মুঠোফোন এ একাধিক বার ফোন করলেও তিনি ফোন রিচিভ করেনি ।
এদিকে নীলফামারীর নীলসাগর বন্ধ থাকার কারণে পর্যটনের পদচারণায় পরিপূর্ণ হওয়া ঐতিহ্য বাহি নীলকুঠি ।
নীলকুঠি রক্ষা কমিটির সভাপতি জনাব গোলাম মোস্তাফার সাথে কথা হলে তিনি বলেন নীলকুঠি দেখতে আসা পর্যটকদের আমরা বিভিন্নভাবে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে নীলকুঠি দেখার জন্য অনুরোধ করছি এবং যাদের মুখে মাস্ক নেই তাদেরকে আমরা মাস্ক দিতেছি
এদিকে ডিমলার তিস্তা ব্যারেজ নিয়ে ডিমলা থানার ওসি অনন্ত কুমারের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমরা তিস্তা ব্যারেজের সব রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছিলাম কিন্তু তিস্তা ব্যারেজ ঘুরতে আসা সব পর্যটকদের কথা চিন্তা করে আমরা সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে সব রাস্তা খুলে দেই এবং সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে চলা চল করার জন্য অনুরোধ করি।


