
প্রকাশিত,২১, ডিসেম্বর,২০২২
মোঃ জুয়েল রানা, তিতাস প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার তিতাসে যুবলীগ নেতা জহির হত্যান্ডের ঘটনায় বাদী পক্ষের লোকজন বিবাদীদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, গত ৬ ডিসেম্বর মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দিনেদুপুরে যুবলীগ নেতা জহির মোল্লাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা। এরপর নিহতের ছোট ভাই এসহাক মোল্লা বাদী হয়ে হত্যা মামলা করলে আসামী পক্ষের লোকজন বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। গৃহকর্তার অনুপস্থিতির সুযোগে বাদী পক্ষের কতিপয় দুষ্কৃতিকারীরা এ ঘটনা ঘটায়। আসামী পক্ষের অভিযোগ তাদের বসত ঘরের যাবতীয় মালামাল তাদের প্রতিপক্ষের লোকজন লুটপাট ও ভাংচুর করে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেছে।
এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জহির হত্যা মামলার ৭নং আসামি মোকাররম এর বাড়িতে ৫টি ঘরের দরজা খোলা এবং ঘরের ভিতর লুটপাট ও ভাংচুরের দৃশ্য দেখা যায়। বাড়িতে আসামী পক্ষের কোন লোকজন পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে বিবাদী মোকারম এর মা রোশনআরা বেগম ও স্ত্রী রোজিনা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, আমাদের ঘরে থাকা স্বর্ণ, নগদ টাকা, চাউল, খাট, ফ্রিজসহ আসবাবপত্র নিয়ে গেছে। এবং আমাদের সোনালী মৎস্য প্রকল্পসহ পাঁচটি পুকুরের মাছ ধরে নিয়ে গেছে। এতে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেছে জহির হত্যা মামলার বাদী পক্ষের লোকজনরা।
মোকাররম এর স্ত্রী রোজিনা আক্তার আরও বলেন চার বছর পূর্বে আমার স্বামীকে তারা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হাত-পা ও মাথায় গুরুতর জখম করেছে যা তিতাসবাসী জানেন। আমরা জহির হত্যার বিচারসহ আমাদের বাড়িতে লুটপাটের বিচারও চাই।
নিহত জহির মোল্লার চাচা মনির হোসেন মোল্লা বলেন, মোকাররমদের মালামাল তারা নিজেরাই নিয়ে গেছে। এখানে কোনো লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি।
এ ব্যাপারে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুধীন চন্দ্র দাস বলেন, যা ঘটেছে জহির হত্যার পর পরই হয়েছে। এছাড়া আর কোনো লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি। বর্তমানে মানিককান্দি গ্রাম শান্ত আছে এবং দুই সিফটে পুলিশ ডিউটি করছে।


