print news || Dailydeshsomoy

 

অনলাইন ডেস্কঃ

নাগার্নো-করাবাখ অঞ্চলে আজারবাইজান এবং আর্মেনিয়ার মধ্যে সাম’রিক সং’ঘর্ষ আরও জো’রদার হয়েছে। বড় রকমের সং’ঘর্ষের পর কারাবাখ এলাকায় বেশ কয়েকটি গ্রাম দখলের দাবি করেছে আজারবাইজান। রোববার (৪ অক্টোবর) দক্ষিণ ককেশাসে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে অষ্টম দিনের মতো সাম’রিক সংঘাত চলছে।

আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, আজারি বাহিনী কারাবাখের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর পুনরুদ্ধার করেছে। রোববার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জাবরায়েল শহরটি দখলে নেয়ার ঘোষণা দেয় আজারবাইজানের মিত্র তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
তারা জানিয়েছে, আজারবাইজানে আমাদের সূত্র জানিয়েছে, বায়ুক মা’র্জেনলি, মা’রালেন এবং শায়বে গ্রাম দখলের পর আজারি সে’না সদস্যরা কারাবাখ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর জাবরায়েল দখলে নিয়েছে। স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের বরাতে পার্সটুডের খবরে বলা হয়েছে, কারাবাখ অঞ্চলের প্রধান শহর খানকেন্ডিতে বেশ কয়েকটি বড় বি’স্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
আজারবাইজান কর্তৃপক্ষ বলেছে, আর্মেনিয়া সম’র্থিত সে’নাবাহিনীর পক্ষ থেকে রকেট হা’মলার পর তারা খানকেন্ডি শহরে পাল্টা হা’মলা চালিয়েছে। এই শহরটিকে আর্মেনীয়রা স্টেপানাকার্ত বলে থাকে। আজারবাইজান আরও জানিয়েছে, তাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর গানজাতে আর্মেনীয় বাহিনী হা’মলা চালিয়েছে। এ শহরটি কারাবাখ অঞ্চল থেকে অনেক দূরে এবং আর্মেনিয়া সীমান্তে অবস্থিত।
আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, তিন লাখ ৩০ হাজার অধিবাসী-অধ্যুষিত পশ্চিম আজারবাইজানের গানজা শহরে আর্মেনীয় বাহিনী রকেট হা’মলা চালিয়েছে এবং গো’লাবর্ষণ করেছে। শহরের বেশ কয়েকটি বেসাম’রিক এলাকায়ও হা’মলা হয়।
এদিকে গানজা শহরে বেসাম’রিক নাগরিকদের ওপর আর্মেনীয় হা’মলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তুরস্ক। আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলীয়েভ শনিবার (৩ অক্টোবর) ঘোষণা করেছিলেন, তাদের সাম’রিক বাহিনী কারাবাখ অঞ্চলের সাতটি গ্রাম দখলে নিয়েছে। আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ বক্তব্য সম’র্থন করে বলেছে, তাদের সাম’রিক বাহিনী আরও বেশকিছু নতুন এলাকা দখল করেছে।
আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইয়েরেভান সম’র্থিত সে’নারা কারাবাখ অঞ্চলে আজারবাইজানের একটি বড় ধরনের হা’মলা প্রতিহত করেছে। ওই হা’মলা প্রতিহত করার সময় দুপক্ষে ভয়াবহ সং’ঘর্ষ হয় এবং বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।