
প্রকাশিত
মোঃ মুক্তাদির হোসেন,
স্টাফ রিপোর্টার।
গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার পূবাইল এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ লাঘবে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে পূবাইল কলেজ গেট এলাকা থেকে উন্নয়ন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এরপর পুবাইলের ইছালী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে রাস্তা প্রশস্তকরণ, কার্পেটিং, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ফুটপাত নির্মাণসহ একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন বলেন, “মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। আধুনিক ও টেকসই সড়ক, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে পূবাইলবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, সরকার পূবাইলকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য এলাকায় গড়ে তুলতে ধারাবাহিকভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে এবং ভবিষ্যতেও এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত ও মানসম্মতভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া ইয়াসমিন, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান কাজল, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু ছাঈদ চৌধুরী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আমান উল্লাহ, পূবাইল থানা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মনির হোসেন বকুল, সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ সরকার, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ হোসেন ভূঁইয়া, নজরুল ইসলাম, সম্মানিত সদস্য, সাখাওয়াত হোসেন খোকন, আলহাজ্ব আসাদ হোসেন বুলবুল, সাবেক স্থানীয় বিষয়ক সম্পাদক গাজীপুর মহানগর বিএনপি , আলহাজ্ব সুলতান উদ্দিন আহমেদ, ৪১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন দেওয়ানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের মতে, এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পূবাইল থেকে গাজীপুর পর্যন্ত যাতায়াত আরও সহজ হবে, যানজট ও জলাবদ্ধতা হ্রাস পাবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যসহ এলাকার সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক গতি সঞ্চার হবে।



