print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,১১, জুলাই,২০২১

ফয়সাল চৌধুরী, কুষ্টিয়াঃ

কুষ্টিয়ায় কলকাকলি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রে রোববার সকালে ৩২৬ জনকে টিকা দেবার এসএমএসের বিপরীতে শুধু রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিয়ে টিকা নেওয়ার জন্য তিন থেকে চার হাজার মানুষ উপস্থিত হয়ে ভিড় করেন।সেখানে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো প্রবণতা দেখা যায়নি। কুষ্টিয়া শহরের কলকাকলি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই টিকাদান কার্যক্রম চলছে।

রোববার ১১,জুলাই সকাল ১০টা থেকে কলকাকলি বিদ্যালয় কেন্দ্রে টিকা কার্যক্রম শুরু হয়। তবে সেখানে সকাল সাডে সাতটা থেকে টিকা নিতে আসা মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, গত পরশু থেকে কুষ্টিয়ায় শুধু একটি কেন্দ্রে করোনার টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দুই দিন ধরে কুষ্টিয়া আরপিটিআই কার্যালয় কেন্দ্রে এই টিকা দেওয়া হচ্ছিল। তবে সেখানে মানুষের ভিড় বেশি হওয়ায় রোববার কেন্দ্র পরিবর্তন করা হয়।

সরেজমিন সকাল সাড়ে ১০টায় সময় গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের কক্ষে টিকা দেওয়া হচ্ছে। কক্ষ থেকে শুরু হওয়া লাইনটি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মাঠের একেবারে প্রধান ফটকের বাইরে চলে গেছে। বাইরে ও সামনের সড়কেও এক থেকে দেড় শত মানুষের দীর্ঘ লাইন। সব মিলিয়ে প্রায় ৩৫০০- ৪ হাজার মানুষ আজ টিকা নিতে এই কেন্দ্রে এসেছেন।কিন্তু ৩২৬ জনকে টিকা দেবার এসএমএস দেওয়া হয়েছিল।

লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অন্তত ১৫ জনের সঙ্গে কথা হলে তাঁদের মধ্যে ১৩ জানান, তাঁরা টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন তিন দিন আগে। কিন্তু কোনো এসএমএস পাননি। তারপরও এসেছেন টিকা নিতে। ২ জন জানালেন, তাঁরা এসএমএস পাওয়ার পর আজ টিকা নিতে এসেছেন।

টিকা নিতে আসা আমজাদ হোসেন বলেন, ‘সকাল সাড়ে সাতটায় এসেছিলাম। একটু আগে টিকা দিতে পারলাম। তবে ব্যাপক ভিড়।অনেকেই এসএমএস বাদে শুধু রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিয়ে অনেকেই টিকা নিতে এসেছেন। আজ বেশ বিড়ম্বনায় পড়তে হয়ে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র বলছে, চীন থেকে আসা টিকা প্রথম ডোজ দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে মাত্র ১ হাজার ৮০০ টিকা মজুত আছে। রোববার সারা দিনে ১ হাজার থেকে ১ ২০০ টিকা দেওয়া সম্ভব হতে পারে।

কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, শনিবার শুধু ৩২৬ জনকে রোববার টিকা নেওয়ার জন্য এসএমএস পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু মানুষ এসএমএস ছাড়াও শুধু রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিয়ে টিকা নিতে এসেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ দিকে সাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরুত্ব না মানার জেরে ও উদাসিন জনগোষ্ঠী থেকে অনেকেই সংক্রামিত হচ্ছে । অনেক জায়গাতে সুশৃংখল ব্যবস্থাাপনা না থাকার কারনে কোভিড-১৯ সংক্রামক ছড়িয়ে পড়ছে শহর থেকে গ্রাম -গঞ্জে।