
প্রকাশিত
মোঃ শিহাব উদ্দিন, গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উরফি ইউনিয়নের চর সরসপুর গ্রামে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে পাঁচটি বসতবাড়ি, দুটি দোকান ও একটি গোডাউনে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, কৃষিপণ্য ও গবাদিপশু লুটের পাশাপাশি আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, এ ঘটনায় প্রায় ১৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এ ঘটনায় নাজমুল বিশ্বাস, কামাল বিশ্বাস ও ফনি মোল্লাসহ একাধিক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় এজাহার দায়ের করেছেন অভিযোগকারী শাহানারা বেগম (৫৯)।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে চর সরসপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পূর্ববিরোধের জেরে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধ হয়ে পাঁচটি বসতবাড়ি, দুটি দোকান ও একটি গোডাউনে হামলা চালান। এ সময় বিভিন্ন ঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর করে মালামাল লুট করে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বসতবাড়িগুলো থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, কৃষিপণ্য ও গবাদিপশু নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দুটি দোকান ও একটি গোডাউনে থাকা বিভিন্ন পণ্যও লুট করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। হামলার সময় বাড়িঘর ও দোকানের আসবাবপত্র, দরজা-জানালা এবং অন্যান্য সরঞ্জাম ভাঙচুর করা হয়। সব মিলিয়ে প্রায় ১৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও করেছেন শাহানারা বেগম। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার পর থেকে তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
অভিযোগের বিষয়ে নাজমুল বিশ্বাস, কামাল বিশ্বাস ও ফনি মোল্লাসহ অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে প্রকাশ করা হবে।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো যাবে।



