print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত

আইনাল ইসলাম।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির (বিডিআরসিএস) বোর্ড অব ট্রেজারার ডা. মোফাখখারুল ইসলাম রানা কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন।
পরিদর্শনকালে তিনি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য পরিচালিত বিভিন্ন মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ঢাকা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মিয়ানমার রিফিউজি রিলিফ অপারেশনের আওতায় পরিচালিত ক্যাম্প-৪ পরিদর্শনের সময় ডা. মোফাখখারুল ইসলাম রানা রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর মাঝে সাবান, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) এবং এলপিজি সিলিন্ডার বিতরণ করেন।

এ সময় তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস), আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট ফেডারেশন (আইএফআরসি) এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন।
পরিদর্শনসূচির অংশ হিসেবে তিনি তুর্কি ফিল্ড হাসপাতাল, বিডিআরসিএস পরিচালিত ফিল্ড হাসপাতাল, সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এবং রেড ক্রিসেন্টের নির্মাণাধীন নতুন আশ্রয়কেন্দ্র (শেল্টার) কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। বিভিন্ন স্থাপনার অগ্রগতি, স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম এবং দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন উদ্যোগ সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য গ্রহণ করেন।

রোহিঙ্গা শিবিরে পরিচালিত মানবিক কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে ডা. মোফাখখারুল ইসলাম রানা বলেন, “বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি দীর্ঘদিন ধরে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পাশে রয়েছে।

অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও যারা নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে এই কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, তাদের প্রতি আমি গভীর কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানাই।”
তিনি আরও বলেন, “এখানে কর্মরত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সংস্থা, স্বেচ্ছাসেবক এবং সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মানবিক সহায়তা কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয়।”
ডা. রানা আশা প্রকাশ করেন, সমন্বিত উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে চলমান কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।
একই সঙ্গে তিনি মানবিক উন্নয়ন ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকারের কথাও উল্লেখ করেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং সেবার মান আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী প্রয়োজনীয় সহায়তা দ্রুত ও কার্যকরভাবে পেতে পারে।