print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত

ইমাম হাসান জুয়েল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ:

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সপ্তাহব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করেছে এফএইচ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ। ১ থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত জেলার গোবরাতলা, ঝিলিম, আতাহার ও শাহজাহানপুর কমিউনিটি রেজিলিয়েন্স সেন্টারে (সিআরসি) এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. এ. কে. শাহাব উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. শামশুন নাহার এবং ঝিলিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. গোলাম লুৎফুল হাসান।
এছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, স্বাস্থ্যকর্মী, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক, গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মা, অভিভাবক এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মা হিসেবে কিশোরী মেয়েরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।
বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে চারটি কমিউনিটি রেজিলিয়েন্স সেন্টারে মোট ৮৫০ জন অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে প্রতিটি সেন্টারে ১৫০ জনের অংশগ্রহণে একটি করে কেন্দ্র্রীয় সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি অধিকসংখ্যক মানুষের কাছে মাতৃদুগ্ধের উপকারিতা ও মা-শিশুর পুষ্টি বিষয়ে বার্তা পৌঁছে দিতে পকেট প্রোগ্রামেরও আয়োজন করা হয়।
বক্তারা বলেন, জন্মের প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে নবজাতককে মায়ের দুধ পান করানো, জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানো এবং দুই বছর বা তারও বেশি সময় পর্যন্ত উপযুক্ত পরিপূরক খাবারের পাশাপাশি মাতৃদুগ্ধ পান করানো শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা বলেন, মাতৃদুগ্ধ শিশুর সর্বোত্তম খাদ্য, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, অপুষ্টি প্রতিরোধ এবং সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে এফএইচ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মাহাজাবিন জাহান, ভ্যালু এক্সচেঞ্জ রিলেশনশিপ কো-অর্ডিনেটর; মোশফিকার আলী, ডিজিটাল অ্যান্ড টেকনোলজি সাপোর্ট কো-অর্ডিনেটর এবং ডেভেলপমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর সুমন আলী, আয়েশা খাতুন, রূপলাল মুর্মু ও শীতল সরকার। তারা কর্মসূচির সার্বিক পরিকল্পনা, সমন্বয় ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

সচেতনতামূলক আলোচনা, মতবিনিময় সভা ও বিভিন্ন পকেট প্রোগ্রামের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়। মা ও শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এফএইচ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।