
প্রকাশিত
সুমন ইসলাম, লালমনিরহাট
লালমনিরহাটের বিএনপির পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান বাবলা তিনি হজ্জ করতে গিয়েছে, তিনি বিএনপির কঠিন দুঃসময়ে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকমীদের পাশে থেকে মনোবল চাঙা রাখতেন যেন কোন নেতাকমীর মনোবল ভেঙে না যায় সে জন্য তিনি একটাই কথা বলতেন কোন স্বৈরাচারী শাসক ক্ষমতায় থাকতে পারে নাই হাসিনাও পারবে না, আন্দোলনের স্রোতে আওয়ামী লীগের পতন হবে ঠিকই আন্দোলনের মাধ্যমে পতন হয়েছে আওঃলীগের।
বিএনপির কঠিন দুঃসময়ে হাফিজুর রহমান বাবলার বাবা দু বার ভাংচুর করে ছিলো আওঃলীগের সন্ত্রাসীরা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কোন মানুষের ক্ষতি করে নাই কিন্তু হয়তো উপকার করার মতো সামথ ছিলো না সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একটি ভুল পুরো রাজনৈতিক জীবনের ক্যারিয়ার শেষ করে দিয়েছি। মাইনাস ট ফমূলা খেলতে গিয়ে রাজনীতিতে ধরা খেয়েছে, মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজ উদ্দিন, এড ফজলু সরকার, যুব দলের দু’জন নেতা, স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন নেতা কমী দুলু মহোদয় এ-র বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে ছিলো, সরকার যখন আসাদুল হাবিব দুলুকে ধরার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলো এবং ইলিয়াস এর মতো অবস্থা করার মিশনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করে ছিলো, ওই সময় আসাদুল হাবিব দুলু মহোদয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এ-র সাথে ফোনে কথা বলে আত্ম গোপনে ছিলো আর ও-ই সুযোগকে কাজে লাগাতে চেয়েছিলো বিএনপির কয়েকজন নেতা, আমি সকল ষড়যন্ত্রের বিষয়ে জানতে পেয়েছি গোপনীয় ভাবে।
লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান এ-র দীর্ঘ ৩৭ বছরের রাজনীতি করার পড়েও সম্মান জনক ভাবে বিদায় দেয়া উচিত দলের পক্ষ থেকে কিংবা জেলা বিএনপির উপদেষ্টা কিংবা সিনিয়র সহ সভাপতি পদে রাখতে পারে জেলা বিএনপি।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান ক্লিনিজ এমেজ এর নেতা ছিলেন,কথা বেশি বলতেন না তিনি বিএনপির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ও গৌরবময় রাজনৈতিক জীবনের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটালো। নতুন দায়িত্ব প্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম মমিনুল হক এর নেতৃত্বের প্রতি শুভকামনা রইল।
সংগঠনের পথচলায় কিছু নাম শুধু দায়িত্ব পালনের জন্য নয়, আদর্শ, ত্যাগ ও নেতৃত্বের জন্যও চিরস্মরণীয় হয়ে থাকে।
দীর্ঘ ৩৭ বছর ধরে সততা, নিষ্ঠা, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শকে ধারণ করে সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলতার সঙ্গে পালন করেছেন মো. হাফিজুর রহমান বাবলা।
। বিশেষ করে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাঁর বিচক্ষণ নেতৃত্ব, কর্মীদের প্রতি আন্তরিকতা এবং সংগঠনের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ভবিষ্যতেও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তাঁর প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
একই সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণকারী এ কে এম মমিনুল হক (ভাই)-কে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। তাঁর অভিজ্ঞতা, কর্মীবান্ধব মনোভাব ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে সংগঠন আরও ঐক্যবদ্ধ, সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে—এই প্রত্যাশা রাখি।
বিদায়ী নেতার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করছি। পাশাপাশি নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতার সফল ও গৌরবময় নেতৃত্বে সংগঠন আরও সমৃদ্ধ হোক—এই শুভকামনা রইল। দায়িত্বের পরিবর্তন হয়, কিন্তু আদর্শ ও অবদানের মূল্য কখনো ম্লান হয় না।



