
প্রকাশিত
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি
পটুয়াখালী হরিদেবপুর টু গলাচিপা খেয়া ঘাট ঘাট দিয়ে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অসংখ্য মানুষজন ট্রলারে পার হয়। এ ঘাটি বহুকাল থেকেই পটুয়াখালী জেলা পরিষদ কর্তৃক ইজারার আওতায় চলে আসছে। কিন্তু এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জানা গেছে উক্ত খেয়াঘাটের ডাক এখন পর্যন্ত হয়নি( ইজারাদার নিযুক্ত হয়নি)।
আরও জানা গেছে আইনী জটিলতার কারণে বর্তমান ১৪৩৩ বাংলা সনের আগ থেকেই পটুয়াখালী জেলা পরিষদের কেয়ার টেকার গলাচিপা ডাকবাংলোয় নিয়োজিত মোঃ নাসির উদ্দীন এর নামে মৌখিক খাস আদায় করা হচ্ছিলো এ খেয়াঘাট। এদিকে সম্প্রতি স্হানীয় সংসদ সদস্য ও শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এর প্রতিমন্ত্রী এ খেয়াঘাটের খেয়া ভাড়া জন প্রতি ৫ টাকা হারে মৌখিক ভাবে নির্ধারণ করে দেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। সব মিলিয়ে স্হানীয় সংসদ সদস্য ও উক্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর মৌখিক নির্দেশনা ও এ বছর ইজারাদার নিযুক্ত না হওয়ায় স্বল্প ব্যয়ে মানুষজন এ খেয়াঘাট দিয়ে পার হতে পারায় তারা স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড় ছিলেন। অন্য দিকে এ বছর ইজারাদার নিযুক্ত না হওয়ায় সরকার বড় অংকের রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়। সর্বশেষে সরেজমিনে ঘুরে ৩১ মে রবিবার (২০২৬) তারিখ সকাল থেকে দেখা যায় এ খেয়া ঘাটের মাঝিরা তাদের ট্রলার থেকেই যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া আদায় করেছেন। এ দিন ঘাটে পটুয়াখালী জেলা পরিষদের কোনও মনোনীত কাউকে খাস আদায় করতে দেখা যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানিয়েছেন এ বিষয় গলাচিপার থানা পুলিশ ঘটনা স্হল পরিশর্দন করে গেছেন। তারা আরও জানিয়েছেন খেয়া ঘাটের মাঝিরা আজ ৩১ মে রবিবার (২০২৬) সকাল থেকেই তাদের ট্রলার থেকেই যাত্রী সাধারণের কাছ থেকে খেয়া ভাড়া আদায় করেছেন।
এতে সরকার রাজস্ব হারাছেন। এরকম চলতে থাকলে সরকার বড় অংকের
রাজস্ব বঞ্চিত হতে থাকবে এবং আগামীতে ইজারা ডাকার আহবান হুমকির মুখে পরবে। উক্ত বিষয় জানতে এ ঘাটের একাধিক মাঝির সাথে কথা বললে তারা এক কথায় জানায় তারা তাদের ট্রলার ভাড়া ৫ টাকা করে নিচ্ছেন। এ বিষয় জানতে পটুয়াখালী জেলা পরিষদের কেয়ার টেকার মোঃ নাসির উদ্দীন এর মুঠোফোনে কল দিলে তিনি এ প্রতিবেদক কে জানান তিনি ৩১ মে রবিবার (২০২৬) তারিখ সকাল থেকে হরিদেবপুর টু গলাচিপা খেয়া ঘাটে এসে দেখেন মাঝিরা ট্রলার থেকেই যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া টাকা উত্তোলন করছেন। এ চিত্র দেখে তিনি পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসনিক অফিসার জয়দেব চন্দ্র বল কে জানিয়েছেন। এ কথা বলে তিনি মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ জন্য তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে জানতে পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রধান সহকারী মোঃ শামীম খান এর মুঠোফোনে কয়েক বার কল এবং তাঁর ওয়ার্টসপ নাম্বার কল দিলেও তিনি ফোন কল রিসিভ করেন নি। এজন্য তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয় জানতে পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসনিক অফিসার জয়দেব চন্দ্র বল এর মুঠোফোনে কল দিলে তিনি বলেন এ বিষয় তিনি কিছু জানেন না। এ বিষয় দেখা শুনা করেন মোঃ শামীম খান এই কথা বলে তিনি মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ জন্য তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।



