
প্রকাশিত
গলাচিপা,পটুয়াখালী,প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর গলাচিপায় জমি বিরোধের জেরে বিএনপি নেতার প্রতিবন্ধী স্ত্রীকে মারধর এবং হয়রানি মূলক মামলা করায় ক্ষোভে ফুটছে ঐ নেতা ও তার পরিবারের সদস্যরা।
ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার বিকালে গলাচিপা পৌরসভার নয় নম্বর ওয়ার্ড বিরোধীয় জমিতে। ঐদিন প্রতিপক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধ ভাবে বিরোধী জমি জোর পূর্বক দখল নিতে আসে। এ সময় প্রতিবন্ধী খাদিজা বেগম (৫০) তাদেরকে বাধা দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে এলোমেলো ভাবে টানা-হেঁচড়া সহ আঘাত করে। প্রতিপক্ষ লোকজনের লাঠি-শোঠার আঘাতে গুরুতর জখম হয়ে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে।
এ বিষয়ে আহতের স্বামী আবু আকন বলেন,” জোর পূর্বক জমি দখলে বাধা দেয়ায় হামলা করে এবং মিথ্যা অপবাদ মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা চালায় প্রতিপক্ষরা।আমি ফ্যাসিষ্ট সরকারের সময়ে একাধিক মামলা খেয়েছি, আমার ভোগ দখলীয় জমি আদালতের মধ্যে একাধিক বার রায় পেয়েছি। সেই সময় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিগণ সালিশ করেন। সালিশগণ কাগজ-পত্র দেখে ৩০৫৭ নম্বর খতিয়ানে মোট ৭৩ শতক ৫০ অযুতাংশ জমি ভোগদখল বুঝিয়ে দেন। তবুও দীর্ঘদিন পর পুনরায় মৃত জালাল খলিফার মেয়ে নাহিদ আক্তার ও তার লোকজন নিয়ে ঝামেলা করে।
এই রায়ে মাধ্যমে ভুমি অফিস কতৃপক্ষ আমার নামে নামজারী গ্রহণ করে হাল দাখিলা নিয়েছে। বাব-দাদার থেকে এ জমি ভোগদখল করে আসছি বর্তমানেও আছি। কিন্তু মৃত জালাল খলিফার মেয়ে নাহিদ আক্তার লোকজন নিয়ে জোরপূর্বক জমি দখল করার চেষ্টা করে,তখন আমার স্ত্রী খাদিজা বেগম বাধা দিলে হামলা চালায়। এই আমার প্রতিবন্ধী স্ত্রী হামলায় গুরুতর আহত হয়”। এ বিষয়ে ফাতেমা আকতার আপরুজা বলেন, আমরা জন্মের পর থেকে বিএনপি করি। আজ আমাদের সরকার ক্ষমতায় মিথ্যা মামলা দিয়ে আমার স্বামী আমার শ্বশুরকে হয়রানি করছে। আমি সরকারের কাছে সঠিক বিচার চাই। প্রতিবন্ধী খাদিজা বেগম বলেন,আমি প্রতিবন্ধী আমাদের জমি জোর করে দখলের চেস্টা করছিন।আমি না থাকলে ওরা জমি দখল করে নিত।নিতে না পেরে আমাকে মারধর করেছে। আমার পা ভেঙে দিয়েছে। মামলা করব আমরা। উল্টো ওরা আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। আমার স্বামী সন্তান জন্ম লগ্ন থেকে বিএনপি করে আসছে আওয়ামী লীগের আমলে একাধিক মামলা খেয়েছে। আমাদের সরকারি দল ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও মিথ্যা মামলায় আমার স্বামী সন্তান আজ ঘরছাড়া। আমি ওদের সঠিক বিচার চাই বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন।



